Loading...
You are here:  Home  >  অর্থ ও বাণিজ্য  >  Current Article

ইইউ’র সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

d715a38466cf437f303972a4b59de2ec-5986feb8572c4
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার ইইউ অ্যাম্বাসেডর পিয়েরে মেয়াউডন (Pierre Mayaudon) বিদায়ী সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে বাংলাদেশ যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে পারে। যেটি উভয়ের জন্য লাভজনক।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের কাছে ব্রিফিং করে এসব তথ্য তুলে ধরেন। ইহসানুল করিম বলেন, ‘ইইউ অ্যাম্বাসেডরও বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর কথা বলেছেন। তিনি বাংলাদেশে বাণিজ্য পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ ও ইইউ বিজনেস ডায়ালগ প্রক্রিয়ার প্রশংসাও করেন।’
পিয়েরে মেয়াউডন বাংলাদেশের শ্রম আইন ও ইপিজেড এর খসড়া আইন আরও পর্যালোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্টের প্রশংসা করেন। শ্রম অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশকে সফলতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’ প্রসঙ্গে পিয়েরে মেয়াউডন বলেন, ‘আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।’ এসময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনে সহযোগিতার জন্য ইইউ’র নেওয়া ‘80 bilion euro horizon 2020’ এ বাংলাদেশের আরও বেশি অংশগ্রহণে উৎসাহ দেন।

বাংলাদেশের রাজনীতি আরও শান্তিপূর্ণ হবে আশা প্রকাশ করে পিয়েরে মেয়াউডন বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাতে প্রস্তুত।’ তিনি বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তির উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এই নিজেকে এই পরিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেন। ব্লু ইকোনোমিতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভবনার কথাও উল্লেখ করেন বিদায়ী এ রাষ্ট্রদূত।

‘হরিজন ২০২০’ এ অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া আগামী সাধারণ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে ইইউ’র আগ্রহকে স্বাগত জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে ছবি সংযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়নে তাদের সহযোগিতার প্রশংসাও করেন তিনি।

বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গঠনের প্রধান লক্ষ্য ছিলো শ্রমিক ও মেহনতি অধিকার আদায় করা।’ এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৈরি পোষাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৬০০ টাকা থেকে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করার কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী।

    Print       Email

You might also like...

Mufti-news-bg20171122232853

Read More →