Loading...
You are here:  Home  >  ইউকে  >  Current Article

ইইউ ছাড়তে হলে পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে হবে

UKইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে ব্রিটেনের সরকারকে অবশ্যই পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে হবে বলে রায় দিয়েছে দেশটির সুপ্রিমকোর্ট।
গত বছরের ২৩ মে এক গণভোটে ব্রিটেনের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটাররা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবার পক্ষে ভোট দেয়। এর পর ব্রিটিশ সরকারের বক্তব্য ছিল যে ইইউ ত্যাগের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে সরকারের জন্য প্রদত্ত রাজকীয় ক্ষমতাই যথেষ্ট। এ জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন নেবার দরকার নেই।
এটিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে একটি মামলা করা হলে মঙ্গলবার বিচারপতিরা এই রায় দিলেন।
এগারোজন বিচারপতির মধ্যে আট জনই মত দিয়েছেন যে, ইইউ ত্যাগের ফলে ব্রিটেনের আইনে পরিবর্তন ঘটবে – তাই এ ব্যাপারে পার্লামেন্টের অনুমোদন অবশ্যই নিতে হবে।
ইইউ ত্যাগের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার অর্থ হচ্ছে, লিসবন চুক্তির ৫০ ধারা সক্রিয় করা – অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো যে ব্রিটেন ইউনিয়ন ত্যাগ করতে যাচ্ছে। গণভোটের পর এটাই ছিল সরকারের করণীয়।
প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কার্যালয় রায়ের পর বলেছে, তারা মার্চের শেষে এ প্রক্রিয়া শুরু করতে চান এবং এ ব্যাপারে এমপিদের ভোটের ব্যবস্থা করে শিগগিরই একটি আইন করা হবে।
তবে ইইউ ত্যাগের পক্ষে ভোটাররা গণভোটে যে রায় দিয়েছেন – তা এমপিরা উল্টে দেবেন এমনটা মনে করা হচ্ছে না, বলেছেন বিবিসির সংবাদদাতা।
সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিরা অবশ্য সর্বসম্মতভাবে রায় দিয়েছেন যে ব্রিটিশ সরকারকে এ জন্য যুক্তরাজ্যের অন্যান্য রাজ্য অর্থাৎ স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে পরামর্শ করার দরকার নেই।
সুপ্রিমকোর্টে এই আইনি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন জিনা মিলার নামে একজন ব্যবসায়ী মহিলা। তিনি রায়ের পর বলেছেন, এতে প্রতিভাত হয়েছে যে পার্লামেন্টই সার্বভৌম। -বিবিসি

    Print       Email

You might also like...

_97945049_gettyimages-509148854

মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান

Read More →