Loading...
You are here:  Home  >  দেশ জুড়ে  >  Current Article

খুলনার ভোটে জাতীয় নির্বাচনের আবহ

4f2325e9afaa61509518ae68cbeb8e32-5af7ca5b9dfc6

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে খুলনা সিটির এই নির্বাচনের দিকে এখন সবার নজর। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটার-সবার কাছে এ নির্বাচন বিশেষ গুরম্নত্ব পাচ্ছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনায় এখন বিরাজ করছে জাতীয় নির্বাচনের আবহ; ভোটের পরিবেশ নিয়ে নৌকা-ধানের শীষের প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজনীতিতে।

আগামীকাল ১৫ মে দলীয় প্রতীকে খুলনা সিটি করপোরেশনের ভোট হবে। তাতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সিপিবি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়রপ্রার্থী রয়েছে। গাজীপুরের ভোট বিলম্বিত হওয়ায় খুলনা নিয়ে দুই দলের চাপেই থাকতে হচ্ছে কমিশনকে। আওয়ামী লীগ-বিএনপি পরস্পরবিরোধী অভিযোগ করার পাশাপাশি ইসির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

এদিকে খুলনা সিটি করপোরেশনে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত্ম একটানা ভোট চলবে। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন দলীয় প্রতীকের এ নির্বাচনে। তাদের পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা প্রচারণা চালিয়েছেন।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার উপ সচিব ফরহাদ হোসেন জানান, শনিবার রাত ১২টার মধ্যে বহিরাগতদের এলাকা ছাড়তে হয়েছে। সংশিস্নষ্ট সিটির ভোটার নন এমন ব্যক্তিদের ওপর নির্ধারিত সময়ের পরে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

রোববার রাত ১২টা থেকে প্রচারণা বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার প্রথম প্রহর থেকে ভোটের পর আরও ৪৮ ঘণ্টা সব ধরনের মিছিল, শোডাউন, আনন্দ মিছিল বন্ধ থাকবে আচরণবিধি অনুযায়ী।

এক নজরে খুলনা সিটি নির্বাচন
ওয়ার্ড: সাধারণ ওয়ার্ড ৩১টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১০টি।
প্রতিদ্বন্দ্বী: মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন।
মেয়র প্রার্থী ও প্রতীক: আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা), বিএনপির নজরম্নল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক (হাত পাখা), সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্ত্মে) ও জাতীয় পার্টির মেয়রপ্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল)।
কেন্দ্র ও ভোটকক্ষ: ২৮৯টি ভোট কেন্দ্র, তাতে ভোট কক্ষ ১৫৬১টি।
ভোটার: ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরম্নষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন ও মহিলা ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।
ইভিএমে ভোট হবে দুই কেন্দ্রে। ১০টি ভোটকক্ষের প্রতিটিতে একটি করে ইভিএম থাকবে। তাতে মেয়র পদে প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের প্রতীকে বোতাম চেপে ভোট দেবেন ভোটাররা।
২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৬ নম্বর কেন্দ্র ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩৯ নম্বর কেন্দ্রে ১০টি ইভিএম থাকবে।
শেরেবাংলা রোডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১০৯৯ জন ভোটারের জন্য ৪টি ভোটকক্ষে ও খানজাহান আলী রোডের পিটিআই জসিম উদ্দীন হোস্টেলের নিচতলার কেন্দ্রে ১৮৭২ ভোটারের জন্য ৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে।

আর বাকি ৪
২০১৩ সালের ৬ জুলাই গাজীপুর সিটিতে এবং খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটিতে ১৫ জুন ভোট হয়।
খুলনার পর বাকি থাকছে চার সিটির ভোট। গাজীপুরের ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর মেয়াদ ফুরোচ্ছে।
২০১৩ সালে পাঁচ সিটিতেই বিএনপিসমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হন। ৫ বছর আগে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও এবার মেয়র পদে দলীয়ভাবে ভোট হবে।

চলতি বছরের নভেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এজন্যে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে পাঁচ সিটির ভোট শেষ করার কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন সিইসি নুরম্নল হুদা।

    Print       Email

You might also like...

204830_bangladesh_pratidin_president

নজরুল শুধু বাংলার জাতীয় কবি নন, তিনি জাগরণের কবি : রাষ্ট্রপতি

Read More →