Loading...
You are here:  Home  >  এক্সক্লুসিভ  >  Current Article

জেএসসি জেডিসি প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার ফল প্রকাশ

সামছুল আরেফীন : জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি), প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জেএসসিতে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ-৫। এই দুই পরীক্ষায় সম্মিলিতভাবে পাসের হার ৯০ দশমিক ৪১ শতাংশ। পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত জেএসসি ও জেডিসিতে ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৮০ জন। গত বছরের তুলনায় গড় পাসের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০১৩ সালে গড় পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৫ জন, গত বছর ছিল তা ১ লাখ ৭২ হাজার ২০৮ জন। অপর দিকে ৫ম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার কমেছে, ইবতেদায়ীতে বেড়েছে পাসের হার। এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ও ইবতেদায়ী সমাপনীতে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে প্রাথমিকে শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে চারটি পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পরীক্ষার ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। এর পর বেলা সাড়ে ১১ টায় শিক্ষামন্ত্রী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বেলা সাড়ে ১২ টায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।
জেএসসিতে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ-৫: অষ্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় এবার সম্মিলিতভাবে পাসের হার ৯০ দশমিক ৪১ শতাংশ। পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত জেএসসি ও জেডিসিতে ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৮০ জন। গত বছরের তুলনায় গড় পাসের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০১৩ সালে গড় পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
চলতি বছর আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে ৮৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং মাদরাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। জেএসসিতে জিপিএ Ñ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ জন এবং জেডিসিতে ১৯ হাজার ২৯০ জন। এবার ৫ হাজার ৩৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।
জেএসসিতে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ২৯ হাজার ৯৩১ জন। পাস করেছে ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৭ জন। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৮৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
ঢাকা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৭২ হাজার ২৫০ জন, ছাত্রী ২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮৯ জন। পাস করেছে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৭৬৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮৪ জন, ছাত্রী ২ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮৪। পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
রাজশাহী বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ২ লাখ ৫১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯৮ হাজার ২৮৯ জন, ছাত্রী ১ লাখ ২ হাজার ২২৪ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯৩ হাজার ৫৯৪ জন, ছাত্রী ৯৭ হাজার ৫৩৬ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।
কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯৫ হাজার ৯৪৮ জন, ছাত্রী ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন। পাস করেছে ২ লাখ ৯ হাজার ৪৪৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯০ হাজার ৯১৪ জন, ছাত্রী ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৩২ জন। পাসের হার ৯৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
যশোর বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯২ হাজার ১২১ জন, ছাত্রী ৯৬ হাজার ৬৬৩ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯৯ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৮৪ হাজার ৭২৬ জন, ছাত্রী ৮৮ হাজার ৮৭৩ জন। পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহন করে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬৮ হাজার ১৪০ জন, ছাত্রী ৮৪ হাজার ৪৭৭ জন। পাস করেছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৫৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫৮ হাজার ৭১২ জন, ছাত্রী ৬৮ হাজার ২৪১ জন। পাসের হার ৮৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
বরিশাল বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ৯৬ হাজার ৪৬৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৬ হাজার ৭৬০ জন, ছাত্রী ৪৯ হাজার ৭০৮ জন। পাস করেছে ৯৪ হাজার ৪৬৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৫ হাজার ৬৮৫ জন, ছাত্রী ৪৮ হাজার ৭৮১। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ শতাংশ।
সিলেট বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৮ হাজার ২৬০ জন, ছাত্রী ৬১ হাজার ২২৫ জন। পাস করেছে ১ লাখ ২৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৪ হাজার ১০২ জন, ছাত্রী ৫৬ হাজার ১৫৩। পাসের হার ৯১ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ৯৫ হাজার ১২৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯৫ হাজার ৭৮৮ জন, ছাত্রী ৯৯ হাজার ৩৩৯ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮১০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৮৫ হাজার ৯৪২ জন, ছাত্রী ৮৯ হাজার ৮৬৮ জন। পাসের হার ৯০ দশমিক ১০ শতাংশ।
জেডিসি
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে অংশগ্রহণ করে ৩ লাখ ১১ হাজার ৫৪০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬২ জন, ছাত্রী ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৭৮ জন।
পাস করেছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮৮ জন, ছাত্রী ১ লাখ ৫২ হাজার ৮১৭ জন। পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৬২৩৫
জেএসসি ও জেডিসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৫ গত বছর তা ছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ২০৮ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৪৬ হাজার ১৮৮ জন, রাজশাহীতে ২৩ হাজার ৬০৬ জন, কুমিল্লায় ১৭ হাজার ২৬৪ জন, যশোরে ১০, ৬৮৫ জন, চট্টগ্রামে ১০, ৪৮৭৫ জন, বরিশালে ১০,২৮৫ জন, সিলেটে ৪,০১০ জন, দিনাজপুরে ১৪,৪২০ জন। এ ছাড়া জেডিসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯, ২৯০ জন।
প্রাথমিকে পাসের হার কমেছে, ইবতেদায়ীতে বেড়েছে: এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ও ইবতেদায়ী সমাপনীতে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে প্রাথমিকে শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ।
গত বছর প্রাথমিকে পাসের হার ছিলো ৯৮ দশমিক ৫৮ ও ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।
পাসের হারের সঙ্গে প্রাথমিক সমাপনীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমেছে, এ সংখ্যা কমেছে ইবতেদায়ীতেও। প্রাথমিক সমাপনীতে গত বছরের তুলনায় ১৬ হাজার ৫৫০ ও ইবতেদায়ীতে ৮১২ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থী কমেছে। এবার দুটি সমাপনীতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ জন। এরমধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন, অপরদিকে ইবতেদায়ীতে পেয়েছে ছয় হাজার ৪৪১ জন। গত বছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো দুই লাখ ৪৮ হাজার ২১৪ জন। এরমধ্যে প্রাথমিকে দুই লাখ ৪০ হাজার ৯৬১ জন, অপরদিকে ইবতেদায়ীতে পেয়েছিলো সাত হাজার ২৫৩ জন।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। এর মধ্যে মোট ২৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৯৭ দশমিক ৯২ ভাগ। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১২ লাখ ৮৭৬ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২০৭ জন ছাত্রী। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন।
পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের পাসের হার সর্বোচ্চ, তাদের পাসের হার হচ্ছে ৯৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ ছাড়া ব্র্যাক পরিচালিত বিদ্যালয়ে ৯৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ, উচ্চ বিদ্যালয় সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৯ দশমিক ১৫ শতাংশ, কিন্ডারগার্টেন ৯৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৭ দশমিক ৯২ শতাংশ , কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, নন রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ১১ শতাংশ, এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয় ৯৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। পাশের হারে সর্বনি¤œ আনন্দ স্কুল (৮৭ দশমিক ৫৪%)।
পাসের হার বিবেচনায় ৭ বিভাগের মধ্যে বরিশাল বিভাগ শীর্ষে রয়েছে যার পাসের হার ৯৮ দশমিক ৭১ ভাগ। ৬৪ জেলার মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে, যার পাশের হার ১০০ ভাগ। ৫০৯ উপজেলা/থানার মধ্যে ২২টি উপজেলায় শতভাগ পাশ করেছে।
সারা দেশে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ৩ হাজার ৭২৮ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৫৬৩জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৭ ভাগ।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে আছে। গড় পাসের হারের দিক থেকেও মেয়েরা এগিয়ে আছে। ছাত্রদের পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮৮ ভাগ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯৭ ভাগ।
ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, অনুপস্থিতির হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং পাসের হারের ভিত্তিতে রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ শীর্ষে অবস্থান করেছে। দ্বিতীয় স্থানে রাজধানীর মতিঝিলের ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, তৃতীয় স্থানে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এর মাইল স্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুল, ৪র্থ স্থানে রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এবং পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে রাজধানীল রমনার ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ।
ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী: ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট ২ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৪ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৭৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৮ ভাগ। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭১৩জন ছাত্র ও ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৬০ জন ছাত্রী । জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৫৪১জন।
ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি। গড় পাশের দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে আছে। ছাত্রদের পাসের হার ৯৬ দশমিক ১১ ভাগ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৪।
পাসের হার সংযুক্ত এবতেদায়ী মাদরাসায় ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশ ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা ৯৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। সর্বোচ্চ পাশের হার বিবেচনায় ৭ বিভাগের মধ্যে বরিশাল বিভাগ (পাশের হার ৯৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ)। ৯৯টি উপজেলায় শতভাগ (১০০%) পাস করেছে। পাসের হারের দিক থেকে চুয়াডাংগা জেলার পাসের হার সর্বনিম্ন (পাসের হার ৮৩ দশমিক ৫১ শতাংশ) এবং সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাসের হার সর্বনিম্ন (পাসের হার ৬৫ দশমিক ২৬ শতাংশ)।
ডিআরভুক্ত ছাত্র-ছাত্রী, উপস্থিতির হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং পাসের হারের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার বায়তুশ শরফ কামিল (এম.এ) মাদরাসা শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর সিনিয়র মাদরাসা, তৃতীয় স্থানে ঢাকা জেলার ডেমরা থানার দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ৪র্থ স্থানে ঢাকা জেলার মিরপুরের বাউনিয়াবাদ ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা ও ৫ম স্থানে রয়েছে ঢাকা জেলার লালবাগের হা. আব্দুর রাজ্জাক জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা।
প্রাথমিকে মেয়েরা এগিয়ে: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে। গড় পাসের হারের দিক থেকেও মেয়েরা এগিয়ে আছে। ছাত্রদের পাসের হারে ৯৭ দশমিক ৮৮ ও ছাত্রীদের পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি। গড় পাসের দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে আছে। ছাত্রদের পাসের হার ৯৬ দশমিক ১১ ও ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গত ২৩ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ নবেম্বর। ২০০৯ সালে প্রথম প্রাথমিক সমাপনী শুরু হয়। ইবতেদায়ী সমাপনী শুরু হয় আরো এক বছর পর। সেই অনুযায়ী ষষ্ঠবারের মতো প্রাথমিক সমাপনী ও পঞ্চমবারের মতো ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা ফল প্রকাশিত হলো।

    Print       Email

You might also like...

3beacdcde2a669c2103e83ce980f3dd9-5a182942ec897

মিসরে মসজিদে হামলা, নিহত ২৩৫

Read More →