Loading...
You are here:  Home  >  অর্থ ও বাণিজ্য  >  Current Article

ধূসর মরুভূমিতে দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ

1524067349_29

ছালাহউদ্দিন, আরব আমিরাত থেকে | বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সততা, অদম্য ইচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রমে অসাধ্যকেও সাধন করা যায় এমন দৃষ্টান্ত স্থাপনে আরব আমিরাতের আল-আইনের আল-জাহারায় মরুভুমিতে শ’ শ’ গ্রিন হাউজ তৈরি করে ব্যাপক সুনাম বয়ে এনেছেন কুমিল্লার লাকসামের চনগ্রাও গ্রামের মোহ্ম্মাদ আবদুল হান্নান। তার সফল এই গ্রিন হাউজ দেখলে মনে হবে যেন মরুর বুকে গড়ে তোলা সবুজ শ্যামল বাংলার অপরূপ।
প্রবাসী তরুণ উদ্যোক্তার সাফল্য এখন মডেল হিসেবে অনুপ্রাণিত করছে অন্য উদ্যোক্তাদেরও। দেশ থেকে ২ বছর মেয়াদী ভোকেশানাল ট্রেনিংপ্রাপ্ত এবং গ্রিন হাউজ ও কৃষি ফার্মের ওপর আবুধাবী গভর্নমেন্ট থেকে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমাপ্রাপ্ত মোহ্ম্মাদ আবদুল হান্নান ইনকিলাবকে জানান, তিনি নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমিরাতের আল আইন থেকে প্রায় ৪০ কি.মি. দূরে আল জাহারা নামক স্থানের মরুভূমিতে ২০১০ সাল থেকে তার স্থানীয় আরবী স্পন্সরের (কফিল) উৎসাহ আর সহযোগিতায় শ’ শ’ একর জায়গায় নিজের মেধা আর শ্রমে ৪০ মিটার দীর্ঘ আর ৯ মিটার প্রস্থ ১৩৫টি গ্রিন হাউজ নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে আসছেন শসাসহ নানা জাতের সবজি। তার উৎপাদিত শসা প্রবাসী বাংলাদেশী ও আরবসহ অন্যান্য দেশের লোকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
গ্রিন হাউজের ওপর আরব আমিরাত সরকারের বৈধ সার্টিফিকেট থাকায় তার ফার্মে উৎপাদিত শসা স্থানীয় মার্কেটের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি হচ্ছে। ২০০৬ সালে দেশ থেকে আমিরাতে এসে নানা চড়াই উৎরাই পেরিযে এখন তিনি আত্মতৃপ্ত একজন সফল ব্যবসায়ী। আমিরাতে যে ক’জন উদ্যোক্তা গ্রিন হাউজে সবজি উৎপাদন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তাদের মধ্যেও তিনি অন্যতম। তার ফার্মে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও মিশরের নাগরিকসহ কর্মরত লোকের সংখ্যা ২৬ জন। এর মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি। তবে আমিরাতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার দীর্ঘ বছর যাবত বন্ধ থাকায় দেশীয় শ্রমিকের অভাবে তিনি ব্যবসায় চরম হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানান।

    Print       Email

You might also like...

142043_bangladesh_pratidin_Bd-pratidin_bishaw

পূর্ব প্রজন্মের ঐতিহ্যেকে পৌঁছে দিন নতুন প্রজন্মের কাছে

Read More →