Loading...
You are here:  Home  >  এক্সক্লুসিভ  >  Current Article

নান্দনিক হলিডে উৎসবের মাধ্যমে এক্সেলসিয়র সিলেট একটি অনন্য হলিডে ডেস্টিন্যাশন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে

1
সময় প্রতিবেদন: ট্যুর অপারেটর ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী সমূহের শীর্ষ ৫০জন পরিচালক ও কর্মকর্তাকে নিয়ে এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয় নান্দনিক হলিডে উৎসব।
সিলেট শহরতলির জাফলং রোডে খাদিমপাড়ায় সতের একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত পঞ্চাশ হাজার বৃক্ষরাজি শোভিত এই প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অতিথিবৃন্দ শুক্রবার বিকেল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময়টা কাটিয়েছেন এক ভিন্ন রকম উল্লাসে। 3
অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ইকো- পার্ক বেইজ্ড রিসোর্টে প্রথম দিন বেলা চারটায় অভ্যর্থনা শরবতের পর লেক ভিউ মাঠে ঘুড়ি ওড়ানো পর্বে মিলতি হন সকলে। লাল নীল আর সাদা রঙ্গের বাহারি ঘুড়ি আকাশে ছুড়ে দিয়ে সুতার নাঠাই ধরে দৌড়ানোর দৃশ্য ছিল চিত্তাকর্ষক। দেশ-বিদেশে ইনবাউন্ড ও আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেশনের মত আকাশমুখি ছুটে চলা ঘুড়ি নিয়ে এক ধরণের প্রতিযোগিতার প্রয়াস ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।4
ঘড়ির কাটা যখন পাঁচটায় ছুই ছুই, ঠিক তখনই ডাক পড়ে লেক ব্রিজ পয়েন্টে বরশি দিয়ে মাছ ধরার। একটার পর একটা মাছ ধরে আনন্দে আহলাদে ফেটে পড়েন বেশ ক’জন দক্ষ শিকারি। চিৎকার আর হৈ হিল্লোরের মধ্যে কেটে যায় সারা বেলা। এক ধরনের নষ্টালজিয়া পেয়ে বসে অনেকের মাঝে।
পশ্চিম আকাশে সুর্য তখন মালদহি আমের রঙ ধরেছে। একটু বিলম্বের কারনে যারা ঘুড়ি ওড়ানো পর্বে অংশ নিতে পারেননি তারা দ্রুত ছুটে চলেন লেক ভিউ মাঠে। শেষ বারের মত আকাশ চুম্বি ঘুড়ি নিয়ে দৌড়াতে থাকেন সন্ধ্যাবদি। দর্শকরা প্রাণভরে উপভোগ করেন সেই দৃশ্য৷ 8
মাগরিবের সালাত শেষে হিলভিউ রেষ্টুরেন্টে জমজমাট কফির আড্ডা ছিল আরো প্রাণবন্ত। মাছ ধরা আর ঘুড়ি ওড়ানোতে জয়-পরাজয় ছিল মুখ্য বিষয়। এক্সেলসিয়রের নিজস্ব মধু দিয়ে চিতই পিঠা খাবার সময় মায়ের হাতের রান্না মনে করেন কেউ কেউ। খোশগল্প আর সেই ছোটবেলার স্মৃতি রোমন্তন করে হারানো দিন ফিরে পাবার আকুলতা পেয়ে বসে কারো কারো চেহারায়। 11
এক্সেলসিয়র অডিটরিয়ামে সাড়ে সাতটায় শুরু হয় আলোচনা অনুষ্টান।পর্যটন ক্ষেত্রে সফল ব্যবসায়ী, বিজ্ঞ পরিচালক, চৌকশ মার্কেটিং পারসনালিটি দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতার অংশিদার হন। প্রাণখোলা বক্তব্যে নানা তত্ব ও তথ্য সমৃদ্ধ আলোচনায় বাঙময় হয়ে ওঠে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অনন্য সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের নতুন দিগন্ত।
এক্সেলসিয়রের সর্বোচ্চ টিলায় রাতের খাবার Bar-B-Q ছিল সবচেয়ে জমজমাট। টোয়াবের আন্তর্জাতি বিষয়ক পরিচালক ইকবাল ছিলেন সেখানে সকলের মধ্যমনি। তার সুরেলা কন্ঠে শুধু অতিথিরা নন, ইকো-পার্কের কাঠ বিড়ালি আর শেয়াল মশাইদের মাঝেও শিহরন জেগে ওঠে। প্রাণবন্ত গানের সাথে পাখির কিচির মিচির আর শিয়ালের হুক্কাহুয়া আওয়াজ এক ভিন্ন মাত্রা সৃষ্টি করে। প্রকৃতির নান্দনিক ছোঁয়ায় মধ্যরাত পর্যন্ত সকলে যেন মন্ত্রমুগ্ধের মত তন্ময় হয়ে পড়েন।
শ্যামল শ্যামলিমায় অবগাহন আর মধুমালতি ও ক্যামেলিয়ায় রাতের সুপ্তিও পরিসমাপ্তি টানতে পারেনি। গভীর রাতে তারা ছুটে চলেন সুইমিং পুলে। ভোর রাত অবদি সাতার কাটা আর জলে জোৎনায় গল্পের আসর স্মৃতির পাতায় জাগরুক হয়ে থাকবে বহুকাল।
নান্দনিক হলিডে উৎসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্টান, স্মৃতিচারণ, সাতার কাটা, ঘুড়ি ওড়ানো, ফুটবল সহ বিভিন্ন পর্বে নৈপুন্য প্রদর্শনের জন্য বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এক্সেলসিয়র সিলেটের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সাঈদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী গ্রহন করেন ট্যুরিস্ট চেনেল বাংলাদেশের সিইও মুহাম্মাদ ইকবাল হোসেন, ট্রাভেলার্স ওয়াল্ডের প্রোপাইটর মেহেদি বিল্লাহ্, ড্রাগন বোট ট্যুারস এন্ড ট্রাভেলসের প্রোপাইটর রাব্বি খান, স্কাই হলিডেইজ লিমিটেডের প্রোপাইটর মুহাম্মাদ রেজাউল করিম, গ্রীন হলিডেইজ ট্যুারসের সিইও মো: বোহান উদ্দিন, এ-ওয়ান ট্যুর সলিউশনের প্রোপাইটর সৈয়দ মুহাম্মাদ ইমতিয়াজ, রেইনি ডিয়ার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের প্রোপাইটর মো: আসাদুজ্জামান প্রিন্স, ট্রাভেল মার্ট বিডি’র ডাইরেক্টর মার্কেটিং সাইদ আহমেদ আলী রিশাদ, আইকন ট্রাভেল এন্ড ট্যুরসের প্রোপাইটর মো: আসাদুজ্জামান খান, কসমিক এয়ার ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর এন্ড সিইও নুরুল ইসলাম শাহিন, প্রাইম এভিয়েশনের সিইও এস এম ওয়াসিম মাহবুব, লিনিজকো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের ম্যানেজিং ডাইরেক্টব আর এইচ এম ইমরান চৌধুরি, আল মারওয়া ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর মো: তোহা চৌধুরি, স্পীড হলিডেইসের সিইও এম মিসবাউল আলম, ফোর হুইলস ট্যুরসের চীফ এক্সজিকিউটিভ কাজী জিয়া উদ্দিন বাপ্পী, মহাকাল মিডিয়া এন্ড ট্যুরিজম লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রাকিব হোসেন, স্টুডেন্ট এন্ড ট্যুরিজম কেয়ারের সিইও ডি এম ইমদাদুল হক, মিতুয়া ট্যুরসের প্রোপাইটর মনিরুল ইসলাম, নাসিহ এন্টারপ্রাইজ এন্ড ট্যুরিজম ইন্টারন্যাশনালের সিইও মো: সাইফুল ইসলাম, মাই ট্যুরস্ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন সুমন, পার্টস এভিয়েশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো: মনসুর আলম পারভেজ, গ্লোরি হলিডেইসের সিইও মো: আনোয়ার হোসেন, মার্কেট এন ট্রেন্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সৈয়দ সাফাত উদ্দিন আহমদ তমাল, পাবনা ট্যুর এন্ড ট্রাভেলসের সিইও মো: সোহানুর রহমান স্বপন, ফিউশন ট্যুরিজমের সিইও কবির আহমদ মমিন, আলবাট রোজ টুরিজমের প্রোপাইটর তালহা ইবনে হাসান, রোটারিয়ান রফিক আহমেদ চৌধুরী এডভোকেট, বাংলানিউজের চীফ করেসপন্ডেন্ট সিরাজুল ইসলাম সেরাজ, দৈনিক সিলেটের ডাকের সাহিত্য সম্পাদক আব্দুল মুকিত অপি, একাত্তর টেলিভিশনের সিলেট ব্যুরো প্রধান ইকবাল মাহমুদ, দি নিউ ন্যাশনের সিলেট করেসপন্ডেন্ট এস এ শফি প্রমুখ। পুরষ্কার বিতরণে সহায়তা করেন এক্সেলসিয়র সিলেটের মার্কেটিং ডাইরেক্টর আহমদ আলী, জিএম মাসুদ রানা, হেড অব সেল্স ওসমান গনি ও এক্সিকিউটিভ পিআর এন্ড ব্র্যান্ডিং দুলাল আহমদ।
হলিডে উৎসবের সামগ্রীক কার্যক্রমে সরব তৎপরতা ও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের নব নব সম্ভাবনা তুলে ধরায় ট্যুর অপারেটর ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী সমূহের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এক্সেলসিয়র সিলেটের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সাঈদ চৌধুরীর ভূয়সি প্রশংসা করেন। তারা টোয়াব এর উপদেষ্টা হিসেবে তার নাম আনুষ্টানিক ভাবে প্রস্তাব করেন এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এবং বাংলাদেশের সুনামখ্যাত ফ্যাশন হাউজ হাইক এর সার্বিক সহযোগিতায় এক্সেলসিয়র সিলেটের এই নান্দনিক হলিডে উৎসব অতিথিদের কাছে পর্যটন পিয়াসিদের জন্য হলিডে উদযাপনে নবতর কর্মসূচি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। সেই সাথে এই হলিডে উৎসবের মাধ্যমে এক্সেলসিয়র সিলেট একটি অনন্য হলিডে ডেস্টিন্যাশন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
Excelsior Sylhet hotel & resort
Khadimpara, Sylhet, Bangladesh
0088 01777740741 | 01777740744 | 01777740738
info@excelsiorsylhet.com | www.excelsiorsylhet.com
TripAdvisor

http://www.tripadvisor.co.uk/Hotel_Review-g667997-d7296762-…

Excelsior Sylhet Masterplan

https://www.facebook.com/LB24TV/videos/701642036705344/

    Print       Email

You might also like...

346a52da89f732e9608cb968950378b5-5972d3a925631

চার পদক নিয়ে দ. এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ

Read More →