Loading...
You are here:  Home  >  প্রবন্ধ-নিবন্ধ  >  Current Article

বজ্রপাত : বাংলাদেশের আরেক বিপদ

058068CF-0B98-46EA-B106-45E6C44D7E7D

মীযানুল করীম | ‘বজ্রপাতে ১৫ জেলায় নিহত ৩০। স্কুলের ছাত্রছাত্রীসহ আহত ৪১।’ গত বৃহস্পতিবার নয়া দিগন্তের সংবাদ শিরোনাম এটি। আর কালের কণ্ঠের একই দিনের লিড নিউজ হেডিং : ফসলের মাঠে যেতে ভয়।’ এর ওপর ছাপা হয়েছে সাব হেডিং : ‘বজ্রপাতে গতকালই মৃত্যু ২৭, ১০ দিনে ১০৬।’ এ দিকে বৃহস্পতিবার দেশে সর্বাধিক বজ্রপাতের এলাকা সুনামগঞ্জসহ বৃহত্তর সিলেটের একটি উল্লেখযোগ্য সংবাদপত্র, দৈনিক জালালাবাদীর সংবাদ শিরোনাম : ‘সিলেটে বজ্রপাত আতঙ্ক ; এক মাসে নিহত অর্ধশত।’ এর আগে দৈনিক সংগ্রাম পয়লা মে লিড রিপোর্টে জানিয়েছিল, দেশে মাত্র দু’দিনে ৩৫ জন মারা গেছে বজ্রপাতে। এবার গত কয়েক দিনে প্রাণ হারিয়েছেন অর্ধশত। আর প্রতি বছর বাংলাদেশে বজ্রপাতের শিকার হয়ে গড়ে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়। আগের দিন ৩০ এপ্রিল পত্রিকার খবর- ১০ জেলায় বজ্রপাতে ১৮ জন নিহত। সে দিন ইত্তেফাকের প্রধান খবরে জানানো হয়, গত ৮ বছরে দেশে ১৮ শতাধিক মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে বজ্রপাত। চলতি মাসে ভারী বর্ষণ, ভূমিধস, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতির পূর্বাভাসের প্রেক্ষাপটে বজ্রপাতে আরো মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশে বজ্রপাত হচ্ছে শত শত বছর ধরে। প্রতি বছর এতে মানুষ কমবেশি হতাহত হচ্ছে। কিন্তু আমরা হিসাব রাখি না ক্ষয়ক্ষতির। গত বছর সুদূর আমেরিকার সংশ্লিষ্ট রিসার্চ ও মনিটরিং সংস্থা যখন পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিশ্বকে জানিয়ে দিলো বাংলাদেশে বজ্রপাতের ভয়াবহতার বিষয়, তখন আমাদের সরকারের হুঁশ হলো, আর সবাই নড়েচড়ে বসলেন। এতকাল যাবৎ এ দেশের কর্তৃপক্ষ বজ্রপাতের মতো বিরাট দুর্যোগ সম্পর্কে অনেকটা বেখবর থাকা ‘যার বিয়ে তার খবর নাই’ কথাটাকে মনে করিয়ে দেয়। অবশেষে টনক নড়ায় এতদিনে বলা হচ্ছে, বজ্রপাত আর নিছক ‘দুর্ঘটনা’ বা অপপরফবহঃ নয়, এখন থেকে গণ্য হবে বিপর্যয় বা ‘দুর্যোগ’ হিসেবে। অর্থাৎ, বন্যা, ঝড়, ধস, ভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, খরা, ভূমিকম্পের মতো বিশেষ গুরুত্ব পাবে বজ্রপাতও। দেখা যাক, এ ক্ষেত্রে সরকারের কথা ও কাজে মিল কতটা থাকে।
উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, বজ্রপাত নিয়ে আতঙ্কের পাশাপাশি একটি কুসংস্কার এ দেশে ব্যাপক। তা হলো, বজ্রের আঘাতে মৃত ব্যক্তির হাড় খুব মূল্যবান এবং এটা ‘বড় কোনো কাজে লাগে’ বলে অনেকের অন্ধবিশ্বাস। এ জন্য মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে তাদের মৃতদেহ কবর থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে আজো।

বজ্রঝড় (Thunder storm) প্রতি বছরই বহুবার সংঘটিত হয়ে থাকে। ‘বাংলাপিডিয়া’তে এর পরিচিতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বজ্রপাত ও বিজলিসমেত ভারী বর্ষণ ও শিলাবৃষ্টি হতে দেখা যায় এই ঝড়ের সময়ে। গরমকালের উষ্ণ-আর্দ্র দিবসে বাতাস গরম ও হালকা হয়ে উপরে উঠে তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়ে পড়ে। ফলে গাঢ় কালো রঙের বজ্রমেঘ সৃষ্টি হয়। এই ঝড়ো মেঘ উল্লম্বভাবে আট কিলোমিটার লম্বা এবং পাঁচ কিলোমিটার চওড়া। কয়েকটি ঝড় মিলে একটা প্রচণ্ড বজ্রঝড়ের জন্ম দেয়। এটা কোনো কোনো সময় ৩০ থেকে ৫০ কিমি প্রশস্ত হতেও দেখা গেছে। এর স্থায়িত্ব পাঁচ ঘণ্টারও বেশি। এ ধরনের ঝড়ের সময় প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টি (Hail storm), প্রবল বায়ু, ঘনঘন বিজলি ও বজ্রপাত ইত্যাদি ঘটে থাকে। বাংলাদেশে বর্ষার আগে ও পরে বজ্রঝড়ের তাণ্ডবে প্রতি বছর মানুষ ও গবাদিপশুর প্রাণহানি ঘটে এবং গাছপালা ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্ষার প্রাক্কালে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের বজ্রঝড় ‘কালবৈশাখী’ এবং বর্ষার পরে অক্টোবর-নভেম্বর মাসের ঝড় ‘আশ্বিনী তুফান’ নামে এ দেশে অভিহিত।
বজ্র বিদ্যুতের সাথে একটি যুগান্তর সৃষ্টিকারী ঘটনার সংযোগ রয়েছে। অষ্টাদশ শতকের যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও রাজনীতিক বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন এক মেঘলা দিনে দীর্ঘ সুতা দিয়ে ঘুড়ি উড়াচ্ছিলেন। ঘুড়িটি পৌঁছে যায় মেঘের কাছে। হঠাৎ মেঘের মাঝে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ভেজা সুতা স্পর্শ করে। ঘটনাটি বিদ্যুৎসংক্রান্ত গবেষণার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

বজ্রপাত বাংলাদেশের মানুষের মনে শুধু আতঙ্ক সৃষ্টি করেনি; জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করছে এই ক্রমবর্ধমান বিপর্যয়। প্রধানত হাওর ও বিল অঞ্চলে কৃষকেরা ভয়ে যাচ্ছেন না ধান কাটার জন্য। বজ্রপাতের ভয়ে ধানকাটার মজুর পাওয়া যায় না। আর কেউ মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এতে রাজি হলেও মজুরি দিতে হয় অনেক বেশি। এমনিতেই পাওয়া যাচ্ছে না ধানের ন্যায্য মূল্য। তদুপরি এখন অতিরিক্ত মজুরি খরচ মিলে কৃষিজীবীদের ধান কাটার ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়বে দেশের এই প্রধান ফসলের বাজারে এবং এ কারণে দুর্ভোগ বাড়বে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত অসংখ্য ক্রেতার। বজ্রপাতের হিড়িক মৎস্যজীবীদের পেশাগত কাজকে দুরূহ করে তুলেছে। চাষিরা পারছেন না ক্ষেতে কাজ করতে, গ্রামের শিক্ষার্থীরা ভয়ে যেতে পারে না স্কুলে। বৃষ্টিবাদলের এ সময় ঘরের বাইরে গিয়ে গরু চরানো ও ধান মাড়াইসহ বিভিন্ন কাজ করা সাঙ্ঘাতিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বজ্রপাতে মানুষের মতো গবাদিপশুও মারা পড়ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের কৃষি অর্থনীতি।

বজ্রপাত নিয়ে এত উদ্বেগ-আতঙ্ক, মিডিয়ায় এত প্রচারণা- কিন্তু যারা এ ক্ষেত্রে সর্বাধিক শিকার হচ্ছেন এবং সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, তারা কি আগের চেয়ে বেশি সচেতন? অথবা, তারা কি বজ্রের বিপদ সম্পর্কে জেনে বুঝেও জীবিকার তাগিদে কিংবা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে মাঠে ঘাটে, হাওর জলায় যেতে বাধ্য হচ্ছেন? আর এভাবে বেঘোরে প্রাণ হারান বাজ পড়ে। তা হলে সরকার এবং শিক্ষিত সচেতন মহলের এ ব্যাপারে করণীয় কী?

বজ্রপাত তো প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। কিন্তু আগে একই বছর এত বেশি মানুষের মৃত্যু হতো না বজ্রের আঘাতে। তা হলে বলতে হয়- বজ্রপাতের ঘটনা বেড়েছে। যদি এটাই হয়ে থাকে বাস্তবতা, তার কারণটা কী? এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের কারো মত, আবহাওয়া পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের দরুন বজ্রপাতে এখন মানুষ মারা যাচ্ছে বেশি। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে জলবায়ুর যে অবাঞ্ছিত পরিবর্তন শুরু হয়েছে, তাকে দায়ী করা হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. এম এ ফারুখ এমনটাই মনে করেন। অপর দিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাফিজা খাতুন বলেছেন, ‘ক্রপিং সিজন’ বা ফসলের মওসুম বদলে যাওয়ায় বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে।

তিনি বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সুনামগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়ে থাকে। কারণ হাওরে কোনো সুরক্ষা নেই; গাছপালা নেই। তিনি একটি বিশেষ দিকের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আগে পাকা ভবনে বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা (আর্থিং) থাকত। তখন বাজ পড়লেও ধাতবদণ্ড তা টেনে নিয়ে যেত ভূগর্ভে। কিন্তু আজকাল ভবনে এমন ব্যবস্থা আর রাখা হয় না।’
বজ্র বা বাজ যে কী জিনিস, দেখতে কেমন, তা কাউকে বলে দিতে হয় না। বাংলাদেশের মানুষ শৈশব থেকেই ঝড়বৃষ্টির মতো বজ্রের সাথেও পরিচিত। আমাদের ছোটবেলায় স্বাভাবিকভাবেই বিজলি চমকালে ভীষণ ভয় পেতাম- এই বুঝি প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ল। মা আমাদের বলতেন, আল্লাহ যাতে বজ্রপাতের বিপদ থেকে রক্ষা করেন, সে জন্য ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যুল আজিম’ দোয়া পড়ার জন্য।

বাংলা অভিধানে বজ্র এবং এর সাথে বজ্রপাত, বজ্রনাদ (বাজের আওয়াজ), বজ্রাগ্নি (বিদ্যুৎ) প্রভৃতি শব্দও রয়েছে। কলকাতার সংসদ বাংলা অভিধানে হিন্দু ধর্মবিশ্বাস অনুসারে ‘বজ্র’ শব্দটার একটি অর্থ দেয়া হয়েছেÑ দেবতা ইন্দ্রের অস্ত্র, যা দধীচির অস্থি দ্বারা নির্মিত। আমাদের দেশে বজ্রকে আঞ্চলিক ভাষায় ‘ঠাডা’ বলা হয়, যা তামিল ভাষার ‘ঠাঠা’ থেকে উদ্ভূত। বিনা মেঘে বজ্রপাত, মাথায় যেন বাজ পড়ল, ঠাডা পড়ে বক মরেছে,/ফকিরে কয় কেরামতি হয়েছে, প্রভৃতি বহুল প্রচলিত প্রবচন। একটা ধাঁধায় বলা হয়েছেÑ ‘এই দেখলাম এই নাই; তারাবনে বাঘ নাই।’ এর উত্তর হলো, বজ্রবিদ্যুৎ।
বিশ্বে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয় ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। স্থানটি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলা সীমান্তের কিছু দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত। সীমান্তের এপারে বিস্তীর্ণ হাওর অঞ্চল। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়ে থাকে মেঘালয়ের এই অংশে এবং সংলগ্ন সুনামগঞ্জের হাওরে। অর্থাৎ বজ্রপাত এবং এতে মৃত্যুর হার বাংলাদেশে সর্বাধিক সুনামগঞ্জ জেলার হাওর এলাকায়। এখানে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ হিসেবে গণ্য, টাঙ্গুয়ার হাওরও রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিরাট অংশের চাল ও মাছের চাহিদা পূরণের জন্য হাওর অঞ্চলের ওপর নির্ভর করতে হয়। হাওরে আগে প্রধানত এক ফসলের চাষ হতো। এখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে ফসলের সংখ্যা বেড়ে গেছে; মাঠে ফসল থাকার মোট সময়ও বেড়েছে অনেক।

প্রসঙ্গক্রমে পরিবেশবিদ ড. হাফিজা খাতুন বলেন, ‘আগে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটা ফসল মাঠে থাকত। সেখানে কাজ করার সময়ে হয়তো বজ্রপাত হতো না। আর যখন তা হতো, তখন কৃষকরা হয়তো মাঠে থাকতেন না। কারণ, অতীতে সব সময় মাঠে যাওয়ার দরকার পড়ত না। এখন বছরজুড়ে ফসল ফলানো হয়। ফলে মাঠে কাজ করতে হয় সারা বছর। এ অবস্থায়, বজ্রপাত হলেই মানুষ হতাহত হচ্ছে। আগে বড় বড় গাছ ছিল। তখন বজ্রপাতে ক্ষতি হতো গাছের; মানুষের নয়। এখন গাছগুলো না থাকায় মানুষ বজ্রের শিকার হচ্ছে।’ এ ব্যাপারে সম্প্রতি জানা গেছে, বিস্তীর্ণ জলাশয় কিংবা সমতলের মাঝে একটা কিছু (মানুষ, গাছ কিংবা কোনো ঘর) মাথা তুলে দাঁড়ানো থাকলে বজ্রকে এটি আকর্ষণ করে এবং এর ওপর বজ্রপাত ঘটে যায়।

বজ্রপাত বন্ধ করার সাধ্য মানুষের নেই। তবে সতর্ক থাকলে ক্ষতির মাত্রা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য করণীয় : (ক) বিশেষত অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ সর্বত্র জনগণকে বজ্রপাতের সময় সতর্কতা অবলম্বনের ব্যাপারে সচেতন করা। এ জন্য কার্যকরভাবে প্রচার চালাতে হবে তৃণমূল পর্যায়ে এবং তা করতে হবে বছরে বজ্রপাতের দুই মওসুমের আগে থেকে। (খ) এটা মনে করা উচিত নয় যে, শুধু প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে আর হাওরেই আকাশের বজ্র হানা দিয়ে ক্ষতি করবে। রাজধানীসমেত নগরাঞ্চলের মানুষেরও বিপদ ঘটা বিচিত্র নয়। এ জন্য এখানেও সচেতনতামূলক কার্যক্রম দরকার।

(গ) বজ্রপাতকে ‘দুর্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় এ ব্যাপারে সরকারের দায়দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। সে মোতাবেক পর্যাপ্ত কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে যথাযথ বরাদ্দ, লোকবল, প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ, লজিস্টিক সাপোর্ট প্রভৃতির বিরাট গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখে না। (ঘ) বজ্রপাতের ক্ষতি কমানোর একটা ঐতিহ্যবাহী উপায় হলো, তালগাছের সংখ্যা অনেক বাড়ানো। এ জন্য কিছু দিন আগে দেশে কয়েক লাখ তালগাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানানো হয়েছে। অবিলম্বে এ ঘোষণা কার্যকর এবং মানুষকে তালগাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তদুপরি, অতীতের মতো- সর্বত্র সব বিল্ডিংয়ে বজ্রপাত নিরোধক ‘আর্থিং’ (Earthing) ব্যবস্থা, অর্থাৎ ধাতবদণ্ড স্থাপন, নিশ্চিত করা চাই।

    Print       Email

You might also like...

Al Mahmud 83A

৮৩তম জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত কবি আল মাহমুদ

Read More →