Loading...
You are here:  Home  >  প্রবন্ধ-নিবন্ধ  >  Current Article

বিলাতের বিয়েশাদী

ফরীদ আহমদ রেজা :

farid a reza

বিবাহ ইসলামের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিধান। ছেলে এবং মেয়ের সম্মতি ছাড়া ‎বিয়ে হয় না। আমরা ইসলামের এ বিধান মেনে চললে বৃটিশ সরকারকে ‎‎জোরপূর্বক বিয়ের বিরুদ্ধে আইন করতে হতো না। পারিবারিক নির্যাতন বা ‎ডমেস্টিক ভায়োলেন্স ইসলামে নিষিদ্ধ। কিন্তু বৃটিশ কোর্টে গেলে পারিবারিক ‎নির্যাতনের যে সকল অভিযোগ শোনা যায় তা রীতিমত ভয়াবহ। বিয়ে ছেলে ‎এবং মেয়ের মধ্যে হলেও এর মাধ্যমে দুটো পরিবারের মধ্যে অটুট বন্ধন ‎প্রতিষ্ঠিত হয়। রক্তের বন্ধন এবং বৈবাহিক বন্ধন – দুটোকেই ইসলাম গুরুত্ব ‎দিয়েছে। ‎

‎সে দিন এক বিয়েতে গিয়েছিলাম। যিনি বিয়ে পড়ালেন তিনি লন্ডনের একটি ‎বড় মসজিদের ইমাম। দুঃখ করে বললেন, ‘বিবাহের পর বরপক্ষ এবং ‎কনেপক্ষের অভিযোগ শুনতে শুনতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ বরপক্ষ এবং ‎কনেপক্ষ কী নিয়ে অভিযোগ করে তাদের ক্লান্ত করে তুলছেন এর ব্যাখ্যা ‎ইমাম সাহেব দেননি। উপস্থিত শ্রোতাদের কেউ এ নিয়ে কোন প্রশ্ন ‎করেননি। এর মানে হলো, ইমাম সাহেব যা বলেছেন তা ঠিক। মনে হচ্ছে, ‎বরের পরিবার এবং কনের পরিবারের পক্ষ থেকে কী কী অভিযোগ আসে তা ‎আমাদের সকলেরই জানা। ‎

একটি ছেলে এবং মেয়ে অনেক স্বপ্ন এবং প্রত্যাশা বুকে নিয়ে বিবাহ বন্ধনে ‎আবদ্ধ হয়। সমাজ, দেশ এবং একটি পরিবারের জন্যেও ছেলে বা মেয়ের ‎বিবাহ কোন ছোটখাটো বিষয় নয়। দীর্ঘ অপেক্ষা, বিপুল আনন্দ, অশেষ ‎খাটুনি এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিবাহ অনুষ্ঠানের পর বরপক্ষ এবং কনেপক্ষ ‎ইমামদের নিকট কী কী অভিযোগ নিয়ে আসেন তা আমাদের অবশ্যই তলিয়ে ‎‎দেখা দরকার। ‎

এটা স্বীকার করতে হবে, বিলাতে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করা দিনে ‎দিনে অনেক কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রথমত পছন্দসই বর বা কনে খুঁজে পাওয়া ‎যায় না। দেশের বাড়ির খোঁজ সহজেই নেয়া যায়। কিন্তু এ দেশে ছেলে বা ‎‎মেয়ের চাল-চলন কি রকম সে খোঁজ পাওয়া কষ্টসাধ্য। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে ‎আপনি হয়তো উপযুক্ত বর বা কনে পেলেন। উভয়পক্ষ একে অপরকে পছন্দ ‎করার পর সহজেই বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যাবার কথা। কিন্তু তা হবার উপায় ‎‎নেই। ইসলাম বিয়েকে সহজ করেছে এবং সহজ করতে বলেছে। কিন্তু ‎আমরা সহজ পথে যেতে চাই না। দেশাচার, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের ‎মতামত এবং আরো অনেক অপ্রয়োজনীয় বিষয়কে বিয়ের আবিশ্যিক অনুষঙ্গ ‎বানিয়ে ফেলেছি। ‎

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের জন্যে জরুরী বিষয় তিনটি। বর-কনের প্রকাশ্য ‎সম্মতি। কনের পক্ষ থেকে বরের কাছে প্রস্তাব পেশ এবং বরের পক্ষ থেকে ‎‘কবুল’ বা এ ধরনের কথা দ্বারা সে প্রস্তাব গ্রহণ করা। দ্বিতীয়তঃ এ কাজে দু ‎জন স্বাক্ষী থাকতে হবে। তৃতীয়তঃ বরের পক্ষ থেকে মোহরানা আদায় করা। ‎এ তিনটি বিষয় হয়ে গেলে বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যায়। কিন্তু বরকনেকে বিয়ের ‎আসরে নিয়ে বসাবার আগে বরপক্ষ এবং কনেপক্ষকে আরো অনেক কাজ ‎করতে হয়। সে সকল কাজ বিয়ের জন্যে প্রয়োজনীয় না হলেও অধিকাংশ ‎‎ক্ষেত্রে কোন পক্ষ সেগুলো উপেক্ষা করতে পারেন না।‎

বিয়ের পূর্বে বর-কনে একজন অপরজনকে দেখবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ‎‎দেখাদেখির জন্যে অনেক সামাজিকতা মেনে চলতে হয়। বর বা কনের ‎পরিবার হুট করে, কাউকে কিছু না বলে তাদের দেখাদেখির আয়োজন করতে ‎পারেন না। এ উপলক্ষে কনেপক্ষকে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করতে হয়। ‎‎দেখাদেখির পর ‘চিনিপানে’র তারিখ নিয়ে বৈঠকাদি চলে। চিনিপানের ‎আরেক নাম ‘ঠিক’। এ দিন বিবাহের তারিখ এবং লেনদেনের ব্যাপারে ‎উভয়পক্ষ একটা সমঝোতায় আসেন। প্রচুর পান-সুপারি, মিষ্টি এবং খাবার-‎‎দাবারের আয়োজন করতে হয়। এর আয়োজন কনে পক্ষকে করতে হয়। ‎লন্ডনে বাসাবাড়ির আকার ছোট হবার কারণে অনেক সময় তা কোন হলে বা ‎‎রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। বরপক্ষ কনের জন্যে কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য ‎উপহার-সামগ্রী নিয়ে যান। কনেপক্ষ তাদের ভুরি-ভোজনে আপ্যায়িত ‎করেন। বর এবং কনে – উভয় পক্ষের জন্যে এটা একটা অপ্রয়োজনীয় খরচ ‎এবং বাড়তি ঝামেলা। যাদের সময় ও সামর্থ্য আছে তারা হয়তো এ সব ‎আনন্দের সাথেই সম্পন্ন করেন। কিন্তু যাদের ব্যস্ততা বেশি অথবা আর্থিক ‎টানাটানিতে আছেন তাদের এ জন্যে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। ‎

চিনিপানের আগে এবং চিনিপানের দিন লেনদেন বা দেন-মোহর প্রসঙ্গ ‎প্রাধান্য পায়। লেনদেনের সময় একটা প্রচলিত পরিভাষা হচ্ছে ‘চলাফেরা’। ‎‎কেউ যখন বলেন ‘চলাফেরার বিষয় আলোচনা হোক’, তখন আমরা বুঝি ‎‎মোহরানা, অলঙ্কার এবং কাপড়-চোপড় নিয়ে আলোচনার কথা বলা হচ্ছে। ‎শরিয়াত এ ব্যাপারে কোন সীমানা ঠিক করে দেয়নি। এটা বরের সামর্থ্যরে ‎উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। একটা লোহার আংটি বা একপ্রস্থ কাপড়ও ‎‎মোহরানা হিসেবে দেয়া যায়। আবার বরের সামর্থ্য থাকলে তিনি হাজার ‎পাউন্ড বা আরো বেশি মোহরানা দিতে পারেন। কাপড়-চোপড় বা অলঙ্কার ‎শরিয়াতের কোন বিষয় নয়। এ সব দেশোচারের বিষয়। কিন্তু মোহরানা, ‎কাপড়-চোপড় এবং অলঙ্কার নিয়ে বিলাতের মুসলিম সমাজে সীমাহীন ‎বাড়াবাড়ি চলছে। বরের সামর্থ্য থাক বা না থাক, আমরা দশ হাজার পাউন্ড ‎‎মোহরানা, পাঁচ হাজার পাউন্ডের বিয়ের কাপড় এবং বিশ হাজার পাউন্ডের ‎অলঙ্কার সেটের দাবি উত্থাপন করি। ব্যতিক্রম অবশ্য আছে। আমি এমন ‎বিয়েও দেখেছি যেখানে মোহরানা ছিল মাত্র দু শ পাউন্ড। এমন কনেও ‎‎দেখেছি যে সাফ করে বলে দিয়েছি, আমি বিয়ে উপলক্ষে কোন স্বর্ণালঙ্কার ‎চাই না। ‎

চিনিপানের পর আসে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান। এ সময় বরের পক্ষ থেকে কনের ‎জন্য কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য সামগ্রী পাঠানো হয়। বিয়ের আগে গায়ে হলুদ ‎মাখিয়ে চেহারাকে আকর্ষণীয় করা অপরাধ, অন্যায় বা তেমন ব্যয়সাধ্য ‎বিষয় নয়। অপব্যয় প্রসঙ্গ বাদ দিলে শরিয়াতে এ ব্যাপারে কোন নিষেধাজ্ঞা ‎আছে বলে আমাদের জানা নেই। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে এবং ‎বিলাতে গায়ে হলুদের নামে যা হচ্ছে তা আমাদের কারো অজানা নয়। এর ‎সাথে আমাদের পরিচয় নেই। এ সংস্কৃতির ব্যবসায়ী কারা, কারা তা ‎আমদানী করছে এবং কেন করছে তা আমাদের বুঝা দরকার। ‎

বিলাতে এক সাথে নিকাহ এবং ওয়ালিমার প্রচলন আছে। আবার কোন কোন ‎সময় কয়েকদিন পূর্বে নিকাহ সম্পন্ন করে পরে ওয়ালিমা করা হয়। বাংলায় ‎‘বিয়ের দাওয়াত’ বললে আমরা বুঝি মজার খাবার-দাবার বা ভুরি-ভোজনের ‎‎দাওয়াত। নিকাহ বা আক্বদ বলতে আমরা বিবাহ বুঝাই না। অথচ সত্যিকার ‎অর্থে নিকাহ মানেই বিবাহ। কথোপকথনের সময় আমরা বলি ‘নিকাহ’ এবং ‎‘ওয়ালিমা’। ‘নিকাহ’ বলতে আমরা ‘আক্বদ’ এবং ‘ওয়ালিমা’ বলতে ‎খাওয়া-দাওয়া মনে করি। বাংলায় ওয়ালিমাকে অনেকে ‘বউভাত’ বলেন। ‎বিলাতে ‘বউভাত’ শব্দটি তেমন চালু নয়। ‎
বিবাহের মূল কথা হলো একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের মধ্যে বৈধ ও ‎‎শোভন পদ্ধতিতে সম্পর্ক স্থাপন করে দেয়া। নির্দিষ্ট পরিমান মোহরানা ঠিক ‎করে দুজন সাক্ষীর সামনে নিকাহ’র মাধ্যমে সেটা জনসমক্ষে প্রকাশ করা ‎হয়। ছেলে এবং মেয়ে এ সকল শর্ত পূরণ করে নিলে আমরা তাদের ‎বিবাহিত দম্পতি বলতে পারি। ‎

ওয়ালিমা হওয়া বা না হওয়ার সাথে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। ‎একজন ছেলে এবং মেয়ের মধ্যে নিকাহ বা আক্বদ হয়ে গেলে শরিয়াত ‎অনুযায়ী তারা স্বামী এবং স্ত্রী। তারা এক সাথে থাকবে, চলাফেরা করবে ‎এবং ইচ্ছে করলে হলিডে’তে যাবে। ওয়ালিমা হয়নি – এ অজুহাতে মা-‎বাবা বা আত্মীয়-স্বজন এতে বাঁধা দিতে বা এটাকে খারাপ বলতে পারেন না। ‎

ইসলামী নিয়ম অনুসারে ওয়ালিমা করার দায়িত্ব বর পক্ষের। কনে পক্ষের ‎এখানে কোন দায়িত্ব নেই। কিন্তু বিলাতে বরপক্ষ একক ভাবে ওয়ালিমার ‎আয়োজন করেন না, অনেকে করতে পারেন না। উভয়পক্ষ নিজেদের ‎আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত দেন। খরচের সিংহভাগ বরপক্ষ বহন করেন। ‎অধিকাংশ ক্ষেত্রে কনেপক্ষও এতে শরিক থাকেন।‎

বিয়ের জন্যে ওয়ালিমা ফরজ নয়, এটা সুন্নাত। কারো সামর্থ্য না থাকলে ‎তিনি ওয়ালিমা করবেন না। আপনাকে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ওয়ালিমা ‎করতে হবে না। ঋণ করে ওয়ালিমা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা অন্যায়। ‎আমরা প্রাইমারী স্কুলে গণি মিয়ার গল্প পড়েছি। গল্পটি এ রকম। গণি মিয়া ‎একজন কৃষক। তাঁর জমিতে ধান ছিল, ঘরে সুখ ছিল। ছেলের বিয়ে দিতে ‎গিয়ে তিনি অনেক ঋণ করেন। সে ঋণ শোধ করতে গিয়ে জমি বিক্রি করতে ‎হয়। এখন তাঁর অনেক দুঃখ। ‎

অনেকের অনেক টাকা-পয়সা আছে। তাই তারা ছেলে-মেয়ের বিয়েতে খরচ ‎করতে কমতি করেন না। ছেলে বা মেয়ের প্রতি ভালবাসার কারণে কেউ ‎অঢেল খরচ করেন। কেউ খরচ করেন বিত্তের বড়াই দেখাতে। ভালোবাসা ‎বা বড়াই, কোন প্রকার অতিরিক্ত খরচই ভালো নয়। অতিরিক্ত খরচকে ‎‘ইসরাফ’ বা অপব্যয় বলা হয়। যারা অপব্যয় করে কুরাআনে তাদের ‎‘শয়তানের ভাই’ বলা হয়েছে।‎

আমরা জানি, পৃথিবীর অধিকাংশ সম্পদ সামান্য কিছু মানুষের হাতে কুক্ষিগত ‎হয়ে আছে। এ সামান্য কয়েকজন মানুষের কারণে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ‎অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটায়, রাস্তায় বাস করে, লেখাপড়া এবং চিকিৎসা ‎‎থেকে বঞ্চিত থেকে মৃত্যু বরণ করে। আমাদের কাছে অতিরিক্ত যে সম্পদ ‎আছে সেখানে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে পৃথিবীর সকল মানুষের অধিকার ‎রয়েছে। এটা আমার কথা নয়, কুরআনের কথা। ছেলে বা মেয়ের বিয়েতে ‎আমরা অনর্থক যে টাকা-পয়সা ব্যয় করি সে টাকা-পয়সার মালিক অধিকার ‎বঞ্চিত এ সকল নারী-পুরুষ। সুতরাং আমার অর্থ থাকলেই আমি ইচ্ছে মতো ‎ব্যয় করতে পারি না। ‎
বিয়ে বা ওয়ালিমা অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে দাওয়াত দেয়ার সংস্কৃতি ‎আমরা এখন দেখছি। সাহাবাদের যুগে তা ছিল না। অনেক সাহাবা তাদের ‎বিয়েতে প্রাণপ্রিয় রাসুল (স)কে দাওয়াত দেননি। তাদের ওয়ালিমা হতো খুব ‎‎ছোট পরিসরে। হল ভাড়া করে চিনিপান, গায়ে-হলুদ এবং ওয়ালিমার প্রচলন ‎খুব বেশি দিনের নয়। আমরা দেখেছি বিলাতের কোন কোন পরিবার পুরাতন ‎নিয়মের দিকে ফিরে যাবার সাহস দেখাচ্ছেন। তারা মসজিদে নিকাহ’র ‎আয়োজন করছেন। নিকাহ’র পর সে দিনই মা-বাবা বা ভাইবোনকে নিয়ে ‎কনের বাড়িতে বর চলে যান। সেখানে খাওয়া-দাওয়া করে কনেকে নিয়ে ‎নিজের বাড়িতে চলে আসেন। তারপর একদিন বা দু দিন পর শুধু ঘনিষ্ট ‎আত্মীয়দের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে ওয়ালিমা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ‎

‎লেখা শুরু করেছিলাম ইমাম সাহেবের কথা দিয়ে। ‘বরপক্ষ এবং কনেপক্ষের ‎অভিযোগ শুনতে শুনতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি’ – এ ছিল তাঁর কথা। তিনি ‎বলেননি, ছেলে এবং মেয়ে অভিযোগ করছে। ছেলে এবং মেয়ে যদি একজন ‎অপরজন নিয়ে খুশি থাকে তা হলে তাদের মা-বাবার জন্যে এটা আনন্দের ‎বিষয়। এর পরও যদি তারা অভিযোগ করেন তা হলে বুঝতে হবে তারা ‎অযথাই সেখানে নাক গলাচ্ছেন। সকল মা-বাবা তাদের ছেলেমেয়েকে ‎ভালোবাসেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাদের অতিরিক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক ‎ভালোবাসা যদি সন্তানের সংসারে আগুন জ্বালায় তা হলে সেটা ভালোবাসা ‎নয়, অভিশাপ। ‎

    Print       Email

You might also like...

326957_112

পলাশি : ইতিহাসের কালো অধ্যায়

Read More →