Loading...
You are here:  Home  >  এক্সক্লুসিভ  >  Current Article

মওসুমের শুরুতেই পর্যটকে মুখরিত সুন্দরবন

sundorbanপর্যটন মওসুমের শুরুতেই দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠছে সুন্দরবন। দূরত্বের দিক দিয়ে মংলা বন্দর থেকে নদীপথে সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্র। সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন স্পটের মধ্যে করমজলই সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। এখানে রয়েছে হরিণ ও বানরের বিচরণস্থল, সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার, কুমির ও কচ্ছপের প্রজনন কেন্দ্র, ডলফিন এবং অন্যান্য বন্য প্রাণীর প্রতিকৃতিসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থাপনা। করমজল ছাড়াও হারবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী ও দুবলার চরে ভ্রমণে যাচ্ছেন পর্যটকরা।
গত শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি হওয়ায় সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমন বেড়েছে। এ দু’দিন পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। করমজল ও হারবারিয়ায় আসা পর্যটকদের অধিকাংশই দেশি। তবে সুন্দরবনের গহীনের হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী ও দুবলার চরে ভ্রমণকারী পর্যটকদের বড় অংশই বিদেশি। এসব দেশি বিদেশি পর্যটকদের ভিড় সামলাতে পর্যটন ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের সদস্যদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এদিকে সুন্দরবনে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নদীতে নৌ পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে কোস্টগার্ডের টহল।
সুন্দরবনে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় খুশি পর্যটন ব্যবসায়ী ও ট্যুরিস্ট বোট চালক-শ্রমিকরা। বন বিভাগের নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধসহ পাস পারমিট নিয়ে দর্শনার্থীদের সুন্দরবনে ভ্রমণ করতে হয়। সুন্দরবনের বাঘ, কুমির, বানর, বিষধর সাপ, হিংস্র প্রাণীর দর্শনলাভের প্রত্যাশায় সুন্দরবনে ভ্রমণে আসেন অসংখ্য পর্যটক।
করমজল পর্যটন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার আব্দুল মান্নান জানান, সরকারি ছুটিতে করমজল পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বনের হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী, দুবলাচরসহ বিভিন্ন স্পটেও প্রচুর দর্শনার্থী ভ্রমণ করছেন। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বল্পসংখ্যক বন কর্মচারীকে। মংলার পর্যটন ব্যবসায়ী আবু হোসাইন সুমন বলেন, ‘পর্যটন মওসুম ও সরকারি ছুটি উপলক্ষে বর্তমানে পর্যটকদের আগমন খুব বেশি। আমরা চাই, সারা বছর ধরেই যেন এ অবস্থা বিরাজমান থাকে।’
এ ব্যাপারে মংলা থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান বলেন, মংলা সমুদ্র বন্দরের পাশাপাশি একটি পর্যটন এলাকা। সরকারি ছুটিসহ পর্যটন মওসুম উপলক্ষে সুন্দরবনে আগত দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য নদীতে নৌ পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া দুটি নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বিদেশিরা এলে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সঙ্গে পুলিশ দেয়া হচ্ছে। যারা আসছেন তারা ভালোভাবেই ভ্রমণ শেষে ফিরে যাচ্ছেন।

    Print       Email

You might also like...

D7E7F185-3A7E-4610-BA33-7F90ED7F5873

সৌদি রাজ প্রাসাদে হামলার চেষ্টা, বেশ কয়েকজন নিহত

Read More →