Loading...
You are here:  Home  >  আমেরিকা  >  Current Article

রুবাব খানের বিশেষ সাক্ষাৎকার

মোহাম্মদ আবুল হোসেন | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬, বুধবার

Rubab Khan 182197_1যে কোনো ক্ষেত্রে সফলতার জন্য চাই কঠোর পরিশ্রম। নাসায় অন্য অনেকের পাশে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবে গর্বিত মনে করছি। কথাগুলো বললেন সূর্যের চেয়ে কয়েক শ গুণ বড় ৫টি নক্ষত্রের আবিষ্কারক রুবাব খান। বুধবার তিনি আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটিতে গবেষণালব্ধ তথ্য তুলে ধরেন। এ বিষয়ে দৈনিক মানবজমিনকে ই-মেইলে দেয়া একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রুবাব খান। বলেছেন, বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছেন। এ দেশকে কোনোদিন ভুলে থাকতে পারবেন না। বাংলাদেশের তরুণদের জন্য তিনি দিয়েছেন বেশ কিছু সুপারিশ। বলেছেন, লক্ষ্য স্থির করতে হবে জীবনের শুরুতে। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। চলার পথে হোঁচট খেলে চলা থামিয়ে দিতে নেই। তার কৃতিত্বে আবেগে আপ্লুত পিতা নূরুর রহমান খান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান। রুবাব খানের মা ফিকরিয়া বেগম আনন্দে আত্মহারা। তার সন্তান বিশ্ববাসীর সামনে এনেছেন নতুন এক আবিষ্কার। ভাবতেই তিনি পুলকিত হচ্ছেন। রুবাব খান পরিবারের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের পাকুন্দা গ্রামে। রুবাব খানের মা ফিকরিয়া বেগম সেন্ট্রাল ওমেন্স ইউনিভার্সিটির দর্শনের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর। পিতামাতা দুজনেই বললেন, রুবাবের পড়াশোনার জন্য কোন কিছু আমরা তার ওপর চাপিয়ে দিইনি। আমাদের দুটি সন্তান। একটি মেয়ে। মেয়ে সুমাইয়া ফারাহ খান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজির সহকারী প্রফেসর। দুটি সন্তানই বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা করেছে। রুবাব খান মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, তারা পাশে না থাকলে আমার এতদূর আসা সম্ভব হতো না। নিচে তার সঙ্গে সাক্ষাৎকারটি প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: জ্যোতির্বিজ্ঞানী হতে কিভাবে উৎসাহিত হয়েছেন? এর নেপথ্যে কে বা কারা?
উত্তর: প্রয়াত আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দিন ও ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা আমাকে গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে। ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন, বিজ্ঞানীর গবেষণা জীবনের বর্ণনা এবং সার্বিক আদর্শ আমাকে মুগ্ধ করেছে। আধুনিক জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার ওপর বিভিন্ন বাংলা সংবাদপত্রে ড. আবদুল্লাহ আল মুতির নিয়মিত লেখা আমাকে আকৃষ্ট করেছে।
প্রশ্ন: একজন বাংলাদেশি হিসেবে এটা কি আপনার উচ্চাশা ছিল না?
উত্তর: এখন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা ও কাজের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা বিভাগগুলোতে এখন পিএইচডি করা শিক্ষার্থী রয়েছে। গুগল, ইন্টেল, আইবিএম, অ্যামাজন, ফেসবুকের মতো বড় প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলো ঘন ঘন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়োগ করছে। এ প্রেক্ষিতে এতসব সফল বাংলাদেশির চেয়ে আমি বেশি উচ্চকাঙ্ক্ষী ছিলাম না। আমি যে বিষয়টি বেছে নিয়েছি সেটা ক্যারিয়ার নির্ভর ছিল না।
প্রশ্ন: কিভাবে নাসার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন? এক্ষেত্রে আগ্রহী অন্যদের কি করা উচিত?
উত্তর: আমি যখন পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করছিলাম তখনই নাসায় ২ বছরের পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপের জন্য আবেদন করি। ইন্টারন ও স্টাফ রিসার্চারস হিসেবে নাসা তরুণ, যুবকদের নিয়োগ করলেও যারা মার্কিন নাগরিক নয় তারা যদি নাসায় কাজ করতে চান তাহলে তাদের জন্য পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ হলো সম্ভাব্য একমাত্র পথ। তাই কোনো বাংলাদেশি যদি নাসায় কাজ করতে চান তাহলে তাকে সবার আগে পিএইচডি পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পন্ন করতে হবে। জ্যোতির্পদার্থ বিজ্ঞান বা অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে আমার কোনো ডিগ্রি ছিল না। অনেকেই পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, জীববিজ্ঞান, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, এমনকি প্রকৌশলে যারা ডক্টরেট সম্পন্ন করছেন তাদের ঘন ঘন নাসা পোস্ট ডক্টরাল প্রোগ্রামে নিয়োগ করা হয়।
প্রশ্ন: বাংলাদেশি তরুণ বা যুবকদের জন্য আপনার পরামর্শ কি? তাদের কাছে আপনি একজন আইকন।
উত্তর: তাদের উচিত ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আত্মউৎসর্গ ও কঠোর পরিশ্রম। যে বিষয়টিকে একজন শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে বা পছন্দ করে সেই বিষয়ে যদি সে কাজ করার সুযোগ পায় তাহলে সেটা হবে সর্বোত্তম। হাইস্কুল বা কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে একটি ধারণা আছে যে, জীবনে সফল হতে হলে তাকে শীর্ষস্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেই হবে। পড়তে হবে উচ্চ মানসম্পন্ন একটি সাবজেক্টে। কিন্তু প্রকৃত বাস্তবতা হলো, এই যে উচ্চ মানসম্পন্ন সাবজেক্টের কথা বলা হচ্ছে তা কিন্তু প্রতি ৪-৫ বছর পর পর পরিবর্তন হয় (কখনও কমপিউটার সায়েন্স, কখনো এপ্লায়েড পিজিক্স, কখনো ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং যুগের চাহিদা হয়ে ওঠে)। কঠোর পরিশ্রম না করে শুধু একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে তাতে সফলতা আসবে সামান্যই। তাই সবকিছুর মূলে হলো কঠোর পরিশ্রম। এই একটি বিষয়ের ওপর সবই নির্ভর করে।
প্রশ্ন: যদি বাংলাদেশের তরুণ, যুবক শিক্ষার্থীরা আপনাকে অনুসরণ করতে চায় তাহলে তাদের উদ্দেশ্যে আপনার সাজেশন কি?
উত্তর: বাংলাদেশি একজন শিক্ষার্থীর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বেশ কতগুলো পথ আছে। তা হলো- ১. এইচএসসি পরীক্ষার পর এসএটি এবং টোফেল সম্পন্ন করা উচিত। তারপর যুক্তরাষ্ট্রের কোন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মতো সামর্থ্য থাকতে হবে। এ দুটি জিনিস থাকলে আন্ডারগ্রাজুয়েটের জন্য আবেদন করতে হবে। ২. পদার্থবিজ্ঞান, এপ্লায়েড ফিজিক্স, গণিতে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হবে বাংলাদেশে। দিতে হবে জেনারেল জিআরই, পদার্থবিজ্ঞানের ওপর জিআরই পরীক্ষা। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পদার্থ অথবা অ্যাস্ট্রোনমি পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে। ৩. বাংলাদেশে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করতে হবে। এটা করার সময় আন্তর্জাতিক যোগাযোগ থাকতে হবে। ভারতেও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যারা অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের ওপর ডিগ্রি ও গবেষণার সুযোগ দিয়ে থাকে। এটা একটা ভালো সুযোগ হতে পারে। বাংলাদেশের আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য আমার সাজেশন হলো, জীবনের প্রারম্ভেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। সামনে যত সুযোগ আসবে তা হাতছাড়া না করে, তার সবটার সদ্ব্যবহার করতে হবে। সব ক্ষেত্রে সফলতা না এলেও তা করতে হবে। প্রচলিত নয় এমন প্রেক্ষিতের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের অবশ্যই তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কেউ যুক্তরাষ্ট্র, ভারত বা চীনে আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার জন্য আবেদন করার প্রস্তুতি নেন তাহলে তার উচিত হবে না বাংলাদেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়াকে অবহেলা করা। এভাবেই একটি স্তর থেকে আরেকটি স্তরে পৌঁছার চেষ্টা করতে হবে সব সময়। এটা করলেই তাদের জন্য পিতামাতার সমর্থন পাওয়া সহজ হবে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে বিজ্ঞানকে, বিশেষ করে অ্যাস্ট্রোনমিকে জনপ্রিয় করতে কি করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর: আমি মনে করি বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করতে মিডিয়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, অনেক টেলিভিশন চ্যানেল আছে এখন। তারা অন্য দেশের অনেক শো আমদানি করে। তারা সায়েন্স সংক্রান্ত প্রোগ্রাম আমদানি করে এ কাজটি আরও সহজ করতে পারে। তা করা হলে দর্শকদের মধ্যে বিজ্ঞানে সচেতনতা বাড়বে।
প্রশ্ন: এটা হলো প্রযুক্তির যুগ। এত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আপনি কেন অ্যাস্ট্রোনমি বাছাই করলেন?
উত্তর: আমরা যে বিশ্বে বাস করি সে সম্পর্কে জানতে আমি সব সময় খুব আনন্দ পাই। তাই যখনই আমি অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে পড়ার সুযোগ পেয়েছি তা যেন আমার কাছে সোনায় সোহাগা হয়ে উঠেছে। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের প্রায়োগিক দিক। বিজ্ঞানের গবেষণা ব্যাখ্যা করতে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করতে হয়। এই দুটি জিনিসকে আলাদা করা যাবে না।
প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন এলিয়েন আছে? অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে?
উত্তর: জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ধারণা বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন থেকে, যখন দেখা গেছে বেশির ভাগ নক্ষত্রেরই আছে গ্রহ। এটা পরিসংখ্যানগত দিক দিয়ে আমাদের ছায়াপথের অন্য কোনো গ্রহে অথবা অন্য কোনো ছায়াপথে অবশ্যই প্রাণের অস্তিত্ব আছে। সেই প্রাণ আমাদের পৃথিবীর প্রাণীদের বা জীবনের মতো নাও হতে পারে। হতে পারে পুরো ভিন্ন কিছু, যা আমরা হয়তো জানি না। নিকট ভবিষ্যতে এরকম জীবনের কোনো অস্তিত্ব আমরা খুঁজে পাব কিনা তা বলা কঠিন। এটা অ্যাস্ট্রোবায়োলজির গবেষণার বিষয়। এ বিষয়ে আমি অভিজ্ঞ নই। তাই এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।
প্রশ্ন: আর কত বছর সূর্য তার অস্তিত্ব ধরে রাখতে পারবে?
উত্তর: সূর্যের বয়স প্রায় ৫০০ কোটি বছর। তা বর্তমান অবস্থায় টিকে থাকবে আরও ৫০০ কোটি বছর। সূর্য কখনও কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলে পরিণত হবে না। খোলা মনে বলছি, যেসব নক্ষত্র সূর্যের চেয়ে ১০ গুণ বা তারও বেশি ভারি, কেবল সেগুলোই নিউট্রন স্টার বা ব্ল্যাকহোলে পরিণত হতে পারে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে আপনার স্কুল, কলেজ জীবন সম্পর্কে বলুন।
উত্তর: আমি বাংলাদেশে স্কুলজীবনে পড়াশোনা করেছি বাংলা মিডিয়ামে। আমি প্রথমে ১০ বছর উদয়ন বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। তারপর নটরডেম কলেজে পড়েছি দুই বছর। বাংলাদেশে এটা আমার শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজিতে আমার নিরেট ভিত্তি নিশ্চিত করে দিয়েছে। সেখানে পুঁথিগত শিক্ষার বাইরেও অন্য প্রোগ্রামগুলোতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছি।
প্রশ্ন: আপনার পিতামাতা কোথায়? তাদের সম্পর্কে বলুন।
উত্তর: আমার পিতামাতা বসবাস করেন ঢাকায়। আমার মায়ের নাম ফিকরিয়া বেগম। তিনি সেন্ট্রাল ওমেন্স ইউনিভার্সিটির দর্শনের একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর। পিতার নাম নূরুর রহমান খান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আমার শ্বশুরের নাম আবদুল আজিজ খান। তিনি তিতাস গ্যাস টি অ্যান্ড ডি কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত এমডি। শাশুড়ি জনতা ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা।
প্রশ্ন: নাসায় আপনার অভিজ্ঞতা কি?
উত্তর: যেহেতু এটি একটি সরকারি গবেষণা কেন্দ্র, তাই নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার তুলনায় অনেক ভিন্ন। আমি কাজ করি নাসা গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে। এটি নাসার সবচেয়ে বড় গবেষণা কেন্দ্র। এখানে কাজ করেন ১৩ হাজারের বেশি মানুষ। সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বড় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাস্টোনমি বা অ্যাস্ট্রোফিজিক্স বিভাগে মাত্র কয়েক শত মানুষ থাকেন। এটা বিস্ময়কর যে, মার্কিন সরকার এই মৌলিক গবেষণায় এত বেশি অর্থ বিনিয়োগ করে। আমি নাসায় কাজ না করলে এটা বুঝতেই পারতাম না।
প্রশ্ন: এখন আপনি একজন বিজ্ঞানী। একজন বাংলাদেশি হিসেবে আপনার অনুভূতি কি?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি করপোরেশনগুলোতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কাজ করছেন। বাংলাদেশি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, বিভিন্ন পেশাদার আমাদের দেশকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে তুলে ধরছেন। তাদের একজন হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।
প্রশ্ন: আপনার শুভ কামনা করছি। ধন্যবাদ।
উত্তর: ধন্যবাদ।
গতকাল রুবাব খানের বিষয়ে তার পিতামাতার অনুভূতি জানতে চাওয়া হয়। এ সময় নুরুর রহমান খান বলেন, রুবাবকে নিয়ে আমার মজার একটি অভিজ্ঞতা আছে। একবার ভুটানের রাজা জিগমে সিংহে ওয়াংচুক বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। তখন আমরা চারজন বাসায় বসে খাবার খাচ্ছি। তখন রুবাব তার মাকে বললো- আচ্ছা আম্মু আমরা ভুটানে থাকলে আব্বু ঠ্যাংয়ের ওপর ঠ্যাং তুলে খেতে পারতেন। কষ্ট করতে হতো না। জবাবে তার মা বললেন- কেন? কিভাবে? উত্তরে রুবাব বললো- তোমরা তো ৬ বোন। সবাই প্রতিষ্ঠিত। ভুটানে নিয়ম আছে রাজা যাকে বিয়ে করেন তার যত বোন থাকেন তারা সবাই রাজার অধীনস্থ হয়ে যায়। তাহলে এবার বাবার অবস্থা চিন্তা করো।

    Print       Email

You might also like...

b01c8e0fdd54d48c68ebf1085003cbb9-5a119ec59360d

নিউইয়র্কে বিতাড়নের খড়গে আরও এক বাংলাদেশি

Read More →