Loading...
You are here:  Home  >  সিলেট সংবাদ  >  Current Article

সিলেটে পর্যটক ভিড়

efbe934ee1f86ec422fd159eef5b8481-59abfd11329b6সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের পার্শ্ববর্তী মায়াবী ঝরনা। ভারত থেকে নেমে আসা ঝরনার পানি টিলা বেয়ে বাংলাদেশ অংশে পড়ছে। আর সেই পানিতে হই-হুল্লোড় করছেন হাজারো পর্যটক। এবার অধিকাংশ পর্যটকের কাছে নতুন আবিষ্কৃত এ মায়াবী ঝরনা ঘিরেই বেশি আকর্ষণ দেখা যাচ্ছে। অনেক পযটক সিলেটে ঘুরতে এসে থাকার জন্য বেছে নিচ্ছেন এক্সেলসিয়র সিলেট। যেখানে প্রাণ ও প্রকৃতির নিমলতা একসঙ্গে উপভোগের সুযোগ। রয়েছে বিনোদন পাক যার সবই আছে এক্সেলসিয়রের ভেতরে।

এদিকে, জাফলং ভিড় করছেন অনেকে।যাচ্ছেন লালাখালও। আরও অনেক পর্যটক মায়াবী ঝরনা ঘিরে ভিড় জমিয়েছেন। তাঁরা ঝরনাটি উপভোগ করার পাশপাশি পার্শ্ববর্তী জাফলং, খাসিপুঞ্জি, তামাবিল পয়েন্ট ও শ্রীপুর পর্যটন স্পটও দেখছেন। এ ছাড়া টিলার ওপর আকাশে মেঘেদের ওড়াওড়িও মানুষ প্রাণভরে উপভোগ করছেন। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহায় পর্যটকেরা সাধারণত বেড়াতে আসেন ঈদের দুদিন পর। এ ক্ষেত্রে আগামীকাল সোমবার থেকে পর্যটকদের ভিড় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখা গেছে, কেবল মায়াবী ঝরনা আর জাফলং ঘিরেই পর্যটকদের ভিড় ছিল না, অন্যান্য পর্যটন স্পটেও পর্যটকেরা ভিড় করেছেন। সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিল জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত জলারবন খ্যাত রাতারগুল এবং জল-পাথরের শয্যাখ্যাত বিছনাকান্দিতে। এ দুটি পর্যটন স্পটে সাম্প্রতিক সময়ে ঈদের বন্ধে বরাবরই প্রচুর পর্যটকের ভিড় জমে। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। ছুটি কাটাতে তাই মানুষের ঢল নেমেছে এসব পর্যটন স্পটে। এর বাইরে জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ হাকালুকি হাওর ঘিরেও ছিল পর্যটকদের ভিড়।
সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকার গোল্ডেন সিটি হোটেলের ব্যবস্থাপক মিষ্টু দত্ত বলেন, ‘অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার তুলনামূলকভাবে পর্যটকের উপস্থিতি কম। মূলত বৈরী আবহাওয়া, বন্যা এবং সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রিক রাস্তাগুলো বিধ্বস্ত থাকার কারণে পর্যটকেরা খুব একটা আসেননি। এর ফলে আমাদের হোটেলের অধিকাংশ কক্ষ এখনো ফাঁকাই রয়ে গেছে।’ তবে তিনি এও জানান, ঈদুল আজহায় পর্যটকেরা মূলত ঈদের দু-তিন পরে ভিড় জমান। সে ক্ষেত্রে আগামীকাল কিংবা পরশুর ভেতর পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে বলে তাঁর প্রত্যাশা।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার বলেন, ‘যেহেতু জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় মায়াবী ঝরনা, জাফলং, রাতারগুল ও বিছনাকান্দি ঘিরেই পর্যটকদের ভিড় বেশি হয়, তাই সেসব এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ জেলা প্রশাসক বলেন, ‘পর্যটকদের সুবিধার জন্য যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রাখা হয়েছে লাইফজ্যাকেটও। এ ছাড়া ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওরেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।’

    Print       Email

You might also like...

DSC_1411-bg20170920182756

রোহিঙ্গা নির্যাতন সিলেট-টেকনাফ রোডমার্চ বৃহস্পতিবার

Read More →