Loading...
You are here:  Home  >  এশিয়া  >  Current Article

সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র নয়: বিজিবি মহাপরিচালক

BSF BGV
বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্তে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার নয়, আমরা উভয় দেশ আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। এর কারণে সীমান্ত হত্যা অনেকাংশে কমে এসেছে। সীমান্তে কোনো প্রকার প্রাণনাশ গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে বিএসএফ নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছে। তবে নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করায় বিএসএফ সদস্যরা অপরাধীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে পিলখানার বিজিবি সদর দফরে বিজিবি-বিএসএফ’র ডিজি পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরিত হয়।
সীমান্ত হত্যা বন্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করে নন-লেথাল উইপন ব্যবহারে সম্মত হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। যৌথ বৈঠক শেষে তারা সীমান্তে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন চান না বলে জানান।
বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) কেকে শর্মা বলেন, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। সাধারণত মধ্যরাতে সীমান্তে ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিজ হয়। আমরা এগুলো নজরে আনছি।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে সীমান্তের হত্যার ঘটনা ছিল ১৬টি। তবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত কোনো হত্যার ঘটনা ঘটেনি। এ কৌশল (নন-লেথাল অস্ত্রের ব্যবহার) অবলম্বনের কারণে অপরাধীদের দ্বারা বিএসএফ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবুও আমরা নন-লেথাল উইপন ব্যবহার করছি। সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন হোক, এটা আমরা চাই না। নন-লেথেল অস্ত্র ব্যবহারেরও প্রয়োজন হতো না। আত্মরক্ষার্থেই শুধু বিএসএফ সদস্যরা এটা ব্যবহার করেন বলে দাবি করেন তিনি।
২৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৪৬তম সীমান্ত সম্মেলন। ২৭ এপ্রিল পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা আইসিপিতে যৌথভাবে জয়েন্ট রিট্রিট সেরেমনি উদ্বোধন হবে এবং একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফিরবেন। সম্মেলনে বিএসএফ ডিজি শ্রী কেকে শর্মার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল ও বিজিবি ডিজি সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

    Print       Email

You might also like...

1527173845

‘শরণার্থী শিশুদের নিজের সন্তানের মতো দেখুন’

Read More →