Loading...
You are here:  Home  >  এশিয়া  >  Current Article

সৈয়দ মুজতবা আলী : সাহিত্য-সংস্কৃতির রসিক কারিগর

76E6C0E4-4304-4A2F-B966-93D38A9EEA65

ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ : বাংলা সাহিত্যের একজন কিংবদন্তি মহানায়ক সৈয়দ মুজতবা আলী। তিনি একাধারে একজন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। একটা তুচ্ছ বিষয়ও তাঁর হাতে উপভোগ্য হয়ে উঠে। বক্তব্যে রয়েছে গভীর জীবনবোধ। বুদ্ধির চমৎকার ব্যবহার লক্ষণীয়। একঘেয়েমি জীবনে তার রচনা পড়লে হাসির রোল উঠতে বাধ্য। তিনি হাস্যরসের রঙিন ফুয়ারা, বাংলা রম্যরচনার প্রাণপুরুষ। তিনি একজন অমর কথাশিল্পী, ভাষাবিদ ও বাংলা সাহিত্যের রসিক কারিগর। সমকালীন বাংলা সাহিত্যে তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার অগণিত পাঠকের কাছে তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল তার অনন্য ও মৌলিক রচনার জন্য। বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনা ও ভ্রমণ কাহিনীকে তিনিই সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তার অনবদ্য সাহিত্য কর্মের মধ্য দিয়েই তিনি থাকবেন চির জাগ্রত, চির ভাস্বর।

বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করে সৈয়দ মুজতবা আলী। পৈতৃক নিবাস হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে হলেও সিলেট জেলার করিমগঞ্জে পিতার কর্মস্থলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ সিকন্দর আলী ছিলেন সাব-রেজিস্ট্রার। চাকরিসূত্রে পিতার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের পর মুজতবা আলী শেষপর্যন্ত শান্তিনিকেতন-এ ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর অধ্যয়ন করে ১৯২৬ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। বাল্যকালে পারিবারিক সূত্রে উর্দুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। পরবর্তীতে বিশ্বভারতীতে তিনি বহু ভাষা শেখার সুযোগ পান। বিশেষকরে বিধুশেখর শাস্ত্রী ও ফরমিকির অধীনে তিনি সংস্কৃত ভাষা, সাংখ্য ও বেদান্ত অধ্যয়ন করেন। ড. মার্ক কলিন্স ও মরিসের নিকট ইংরেজি, ফরাসি ও জার্মান, অধ্যাপক বগদানফের নিকট ফারসি ও আরবি এবং অধ্যাপক তুচ্চির নিকট ইতালিয়ান শেখেন। এ সময় তিনি হিন্দি ও গুজরাটি ভাষাও শেখেন। ভারতের অন্যত্র বিশ্বভারতীর ডিগ্রি স্বীকৃত না হওয়ায় মুজতবা আলী ১৯২৬ সালে প্রাইভেট পরিক্ষার্থী হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রবেশিকা পাস করে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আই এ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯২৯ সালে ‘হুমবল্ট’ বৃত্তি নিয়ে তিনি জার্মানি গিয়ে বার্লিন ও বন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি দর্শন বিভাগে তুলনামূলক ধর্মশাস্ত্রে গবেষণা করে ১৯৩২ সালে ডি ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৩৪-৩৫ সালে মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম ধর্মশাস্ত্র বিষেয়েও অধ্যয়ন করেন। তিনি ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

মুজতবা আলীর চাকরিজীবন শুরু হয় ১৯২৭ সালে কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে ফরাসি ও ইংরেজি ভাষার প্রভাষকরূপে। বরোদার মহারাজ সয়াজী রাও-এর আমন্ত্রণে ১৯৩৫ সালে তিনি বরোদা কলেজে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হন। তিনি বগুড়া আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে খন্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও কিছুকাল দায়িত্ব পালন করেন। পরে পেশার পরিবর্তন করে মুজতবা আলী ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন্সের সচিব ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর কর্মকর্তা হন। সবশেষে তিনি ১৯৬১ সালে বিশ্বভারতীর ইসলামের ইতিহাস বিভাগে রিডার হিসেবে যোগদান করে সেখান থেকেই ১৯৬৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখিতে জড়িয়ে পড়েন সৈয়দ মুজতবা আলী। শান্তিনিকেতনে অধ্যয়নকালে হস্তলিখিত বিশ্বভারতী পত্রিকায় তাঁর কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়। তিনি সত্যপীর, রায়পিথোরা, ওমর খৈয়াম, টেকচাঁদ, প্রিয়দর্শী ইত্যাদি ছদ্মনামে আনন্দবাজার, দেশ, সত্যযুগ, শনিবারের চিঠি, বসুমতী, হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায় কলাম লিখতেন। এছাড়া মোহাম্মদী, চতুরঙ্গ, মাতৃভূমি, কালান্তর, আল-ইসলাহ্ প্রভৃতি সাময়িক পত্রেরও তিনি নিয়মিত লেখক ছিলেন। গ্রন্থাকারে তাঁর মোট ত্রিশটি উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো- দেশে-বিদেশে, জলে-ডাঙায়, উপন্যাস অবিশ্বাস্য, শবনম, পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী এবং ছোটগল্প চাচা-কাহিনী, টুনি মেম প্রভৃতি। মুজতবা আলীর ডি.ফিল অভিসন্দর্ভটি বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। ‘পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ তাঁর আরেকটি অনবদ্য গ্রন্থ।

সৈয়দ মুজতবা আলী দেশে-বিদেশে গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। গ্রন্থখানি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পাঠক মনে নাড়া দিতে সক্ষম হন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এ গ্রন্থখানি। দেশে-বিদেশে উপন্যাস নাকি ভ্রমণ কাহিনী এ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। তবে যেভাবেই বিবেচনা করা হোক না কেন গ্রন্থটিকে ভ্রমণ-উপন্যাস বললে খারাপ বলা হবে না।

ভ্রমণ-উপন্যাসটিতে ভ্রামণিক অভিজ্ঞতাকে তিনি গল্প আকারে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেছেন দক্ষ শিল্পীর কৌশলী আঁচড়ে। বইটিতে লেখক ভূগোল ও প্রকৃতির বিবরণ, জীবন ও সংস্কৃতির বিশেষণ এবং মানবগতির বিচিত্র স্বভাবের যে অনুপুঙ্খ, হৃদয়গ্রাহী ও আনন্দঘন উপস্থাপনা করেছেন, তাতে তার চিন্তা এবং পরিবেশন শৈলীর নৈপুণ্যে পাঠক বিস্মিত না হয়ে পারে না।

দেশে-বিদেশে হয়তো তার জীবন-অভিজ্ঞতার এক বিশ্বস্ত বিবরণ; সে অর্থে এটি জীবন-ঘনিষ্ঠ সাহিত্যের কাতারে দাঁড়াতে পারে অনায়াসে। গ্রন্থটিতে ভ্রমণের আনন্দ ও অজানাকে জানবার সুধারসের পাশাপাশি গভীর পর্যবেক্ষণের অনুভবে পরিবেশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির হাল হকিকত। আফগান, হিন্দুস্থান, ইরান কিংবা চীন বিষয়ে ইংরেজদের মনোভাব ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় কী, তারও নিবিড় পর্যবেক্ষণ ধরা পড়ে লেখকের বর্ণনায়। স্বাধীন আফগানের মানুষের জীবনের চালচিত্র প্রকাশ করতেও তিনি কোনোরকম কুণ্ঠাবোধ করেননি। জীবন-অভিজ্ঞ সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে-বিদেশে বইটিতে কিছু প্রবাদবাক্য পাঠকের নজর কাড়ে। ‘কোনো দেশের গরিব মেয়েই পর্দা মানে না, অন্তত আপন গাঁয়ে মানে না।’ ‘ইংরেজ এবং অন্য হরেক রকম সাদা বুলবুলিকে আফগান পছন্দ করে না।’ ‘পরের অপকার করিলে নিজের অপকার হয়।’ ‘বাঙালি আর কিছু পারুক না পারুক, বাজে তর্কে খুব মজবুত।’

অনুরূপ রসগোল্লা রম্যগল্পের কাহিনীটাও চমৎকার। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ঝান্ডুদা বন্ধুর মেয়ের জন্য এক টিন ভ্যাকুম প্যাকেটজাত মিষ্টি নিয়ে যাচ্ছেন। ইতালির কাস্টমস ঘরে কাস্টমস অফিসারের সাথে তা নিয়ে বাকবিত-া হয়। কাস্টমস কর্মকর্তাকে তিনি বোঝাতে ব্যর্থ হন যে, প্যাকেট খুললে মিষ্টি নষ্ট হয়ে যাবে। কাস্টমস অফিসারের ভাঙাচোরা চেহারার বর্ণনা আমাদেরকে রসগোল্লা খাওয়ার আগে রসে মজিয়ে ফেলে। তাছাড়া ঝান্ডুদার পোশাক ব্যাগের উপরে বিভিন্ন দেশের কাস্টমস হাইজের সিল সব কিছুতে রসের প্রাচুর্য আছে। সেখানে নানা হাস্যরসাত্মক কা- ঘটানোর পরেও ঝান্ডুদাকে মিষ্টান্নর প্যাকেট খুলতে হয়। আর প্যাকেট খোলার পরে ঘটে সেই আসল ঘটনা। একগুয়েমি কর্মকর্তার একগুয়েমিতার কারণে ঝান্ডুদা প্যাকেট খোলে। কিছু বুঝে উঠার আগেই ঝান্ডুদা ক্ষেপে রসগোল্লা নিয়ে চুঙ্গিওয়ালার নাকে-মুখে লেপে দেয়। আর সকলকে রসগোল্লা দেয়। রসগোল্লার রসে মজে ফরাসি উকিল আড়াই মিনিট চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন। সকলেই রসগোল্লার রসে মজে আবার রসগোল্লা খেতে চায় কিন্তু ততোক্ষণে তা শেষ। এই রম্য রচনার প্রতিটি চরিত্র হাস্যরসের উদ্রেগ করে। কাহিনীটা সাধারণ হলেও পাঠকের হৃদয়ে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়।

সৈয়দ মুজতবা আলীর জীবনে নানা ধরনের চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছিল। তাঁর জীবনে আর্থিক নিরাপত্তা বলতে যা বোঝায় সেটা কখনোই ছিল না। তিনি কখনও চাকরি করেছেন, কখনো লিখে টাকা আয় করেছেন। অন্নদাশঙ্কর রায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘মুজতবা আলী শান্তিনিকেতনে সস্ত্রীক চাকুরি চেয়েছিলেন। কিন্তু আর্থিক কারণে তখন তাঁদের চাকুরি দেওয়া সম্ভব হয়নি। আনন্দবাজার গ্রুপও তাঁকে চাকুরি দেননি। পরে, শান্তিনিকেতনে মুজতবার চাকুরি হয়”। শুধুমাত্র কলমকে ভরসা করে ১৯৫৭ থেকে ১৯৬১ সালের অগাস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত, হালভাঙা নৌকোর মত কোনোক্রমে নিজেকে চালিয়েছেন।

মুজতবা আলী বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন, কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তন করেছেন এবং বহুজনের সান্নিধ্য লাভ করেছেন। তাই তাঁর লেখায় অনুরূপ বহুদর্শিতা ও নিবিড় অনুধ্যানের প্রতিফলন ঘটেছে। তাঁর রম্যরচনাবিষয়ক ছোট ছোট রচনা পাঠকদের চিত্তবিনোদন ও অনাবিল আনন্দদানে সমর্থ হয়েছে। আবার এ কথাও ঠিক যে, তিনি হাসির আবরণে অনেক সময় হৃদয়ের গভীরতর সত্যকে উদঘাটন করেছেন। তিনি জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার আলোকে বিবিধ ভাষা ও শাস্ত্র থেকে এসব উপাদান আহরণ করেন। বিশেষকরে উপন্যাস ও ছোটগল্পে মানবজীবনের অন্তহীন দুঃখ-বেদনা ও অপূর্ণতার কথা তিনি সহানুভূতির সঙ্গে চিত্রিত করেছেন।

পরিশেষে বলা যায়, সৈয়দ মুজতবা আলীর যে প্রতিভা, যে জ্ঞান ছিল তার সিকিভাগও তিনি লিখে রেখে যেতে পারেননি বলে অনেকেই মনে করেন। ভয়ংকর অলসতার কারণে তিনি নিজকে নিজেই ঠকিয়েছেন। সুনীতি বাবু বলেছেন, “মুজতবা আলী তুলনামূলক ধর্মশাস্ত্রের প্রচ- গবেষক হতে পারতেন, তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে সার্থক অন্বেষণ চালাতে পারতেন, ভারতীয় ইতিহাসের অনুদ্ঘাটিত দিক উন্মোচন করতে পারতেন, কিন্তু কিছুই করেন নি। শুধু ব্যঙ্গ রসিকতায় নির্বাসন দিয়ে নিজেকে নিঃশেষ করলেন।” ভীষণ অগোছালো ছিলেন তিনি।

মুজতবা নিজেই লিখেছেন ‘হাঁড়িতে ভাত থাকলে সাঁওতাল কাজে যায় না, আর আমার ড্রয়ারে টাকা থাকলে আমি লিখি না।’ তারপরেও বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ মুজতবা আলীর উপমা একমাত্র তিনিই। বাংলা ভাষায় তিনি সরস-মার্জিত-বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যধারার প্রবর্তক। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ-রসিকতায় তার রচনা প্রদীপ্ত। ভ্রমণকাহিনি, উপন্যাস, সাহিত্য-সমালোচনা ও মননশীল প্রবন্ধ মিলিয়ে তার বিপুল সংখ্যক রচনায় পা-িত্য ও সৃজন-সামর্থের বিচিত্র অভিব্যক্তি লক্ষণীয়।

অন্তত দশটি ভাষায় দক্ষতা অর্জনকারি এই বিরল-প্রতিভা ভাষাতত্ত্ব ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে অসাধারণ পা-িত্যের পরিচয় রেখে গেছেন। তিনি জীবনের করুণ দিকগুলো সুস্পষ্টভাবে জানতেন বলেই জীবনের হাস্যরসের দিকগুলো নিপুনভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছিলেন। তাঁর লেখনিতে হাস্যরসগুলো বাস্তবতা বিবর্জিত নয়। বাস্তবকে ধরে সত্য উন্মোচনে তিনি হাস্যরসের রম্য রচনা সৃষ্টি করেছেন। মূলত, জীবনের গভীরতর ভেতর থেকে জীবনকে পর্যবেক্ষেণের অর্ন্তদৃষ্টি ছিল বলেই তাঁর পরিবেশিত হাস্যরসের মধ্যে পরিমিত জীবনময়তা ছিল। জীবনের বেদনাক্লিষ্ট এবং করুণতম অভিজ্ঞতাকে মুজতবা সংবেদনশীলতার প্রাজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা দিয়ে দেখতে পেয়েছেন বলেই বাংলা হাস্যরস সাহিত্যে তাঁর অবস্থান শাশ্বত। যতদিন বাংলা সাহিত্য থাকবে, ততোদিন তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যদিয়ে পাঠকদের কাছে বেঁচে থাকবেন।

    Print       Email

You might also like...

SC Soudi ধূসর মরুর বুকে

ধূসর মরুর বুকে : সাঈদ চৌধুরী

Read More →